বিশ্বকাপের শেষ ৩২ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দে। লড়াইয়ের ঠিক ২৪ ঘণ্টারও কিছু সময় আগে মিয়ামি স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলন করেন লিওনেল স্কালোনি। এই আর্জেন্টাইন কোচ আফ্রিকান দলটিকে নিয়ে বিশ্লেষণ করার পাশাপাশি ট্রফি জেতার প্রধান দাবিদার হিসেবে ফ্রান্সের নাম উল্লেখ করেন, যদিও শিরোপা উঁচিয়ে ধরার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে এমন আরও কিছু দলের কথাও তিনি জানিয়েছেন।

সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়নদের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে স্কালোনি বলেন, ‘আমার মনে হয় এই মুহূর্তে ফ্রান্স খুব ভালো খেলছে, এবং ব্রাজিলও; আমি মেক্সিকোকে ইকুয়েডরের বিপক্ষে দুর্দান্ত একটি ম্যাচ খেলতে দেখেছি; কলম্বিয়াও বেশ ভালো খেলছে; এবং অবশ্যই স্পেন। এই দলগুলো কঠোর লড়াই করবে। তবে স্পষ্টতই ফ্রান্স যা করছে তা বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়ার মতো।’

আরও পড়ুন

সবাই বলছে আর্জেন্টিনা জিতবে, ব্যতিক্রম শুধু দুই ভবিষ্যদ্বাণী

বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে দলগুলোর মধ্যকার সমতা নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ দেখছি, ফ্রান্স এবং মেক্সিকো ছাড়া বাকি প্রায় সবগুলো ম্যাচই খুব হাড্ডাহাড্ডি হয়েছে এবং (সামনের পথটা) সহজ হবে না।’

গ্রুপ 'এইচ' থেকে উরুগুয়েকে বিদায় করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করা চমকপ্রদ প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দেকে নিয়ে স্কালোনির বিশ্লেষণ, ‘তারা এমন একটি দল যারা এখনো হারেনি, এমনকি সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচটিতে তাদের জয়ই প্রাপ্য ছিল। তারা ভালো রক্ষণভাগ সামলায়, কার্যকরভাবে প্রতিপক্ষের থ্রু-বলগুলো আটকে দেয় এবং এরপর খুব দারুণভাবে কাউন্টার-অ্যাটাক (পাল্টা আক্রমণ) করে। তাদের দলে টেকনিক্যালি বেশ দক্ষ খেলোয়াড় রয়েছে। তারা ভালো একটি দল; তারা আমাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারত বলেই আমরা আগে থেকেই তাদের নিয়ে বিশ্লেষণ করছিলাম। শেষ পর্যন্ত তারা পরের রাউন্ডে উঠেছে এবং এটি আমাদের মোটেও অবাক করেনি। তারা ভাগ্যের জোরে এখানে আসেনি।’

আরও পড়ুন

বালোগুনকে লাল কার্ড ও মেসিকে না দেওয়াকে সঠিক বলছে ফিফার রেফারিং কমিটি

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা ভালো অবস্থানে আছি। স্বাভাবিকভাবেই সবার মতো আমরাও রোমাঞ্চিত, তবে আমাদের সামনে এমন এক প্রতিপক্ষ রয়েছে যারা সবকিছু খুব ভালোভাবে করে দেখিয়েছে এবং যাদের আমাদের সম্মান করতেই হবে। এখন ভুলের মাশুল দেওয়ার সুযোগ কমে এসেছে। এটি এমন একটি ম্যাচ যেখানে হারলেই বাড়ি ফিরে যেতে হবে। তবে আমাদের জন্য এই ম্যাচটি বেশ ভালো একটা সময়েই এসেছে।’

এমএমআর