স্পেনকে ২০২৬ বিশ্বকাপ জেতানোর পথে অসাধারণ নেতৃত্ব ও দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের গোল্ডেন বল জিতেছেন অধিনায়ক রদ্রি। এর মধ্য দিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডার ফুটবল ইতিহাসে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করলেন।

এর আগে ২০২৪ সালে ব্যালন ডি'অর জিতে রদ্রি হয়েছিলেন প্রিমিয়ার লিগের ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটানো প্রথম খেলোয়াড়। এবার বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল জিতে তিনি প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসেও নতুন এক মাইলফলক গড়লেন।

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জেতে স্পেন। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে স্পেনের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ, বলের দখল এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে রূপান্তরের মূল কারিগর ছিলেন রদ্রি। তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত করা হয়।

পুরস্কার হাতে নিয়ে রদ্রি বলেন, 'এটি শুধু আমার নয়, পুরো দলের অর্জন। এই দলটি অসাধারণ ছিল। আমরা প্রমাণ করেছি যে কঠোর পরিশ্রম ও ঐক্য থাকলে যেকোনো বাধা জয় করা সম্ভব।'

গুরুতর হাঁটুর চোট থেকে ফিরে মাত্র দুই বছরের মধ্যে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার ঘটনাকে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় প্রত্যাবর্তন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রদ্রির ভাষায়, 'আমি আশা করি আমার গল্প তরুণদের বিশ্বাস জোগাবে যে বড় চোট থেকেও ফিরে এসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে সফল হওয়া সম্ভব।'

২০২৩-২৪ মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জয়ের পাশাপাশি স্পেনকে ইউরো ২০২৪ শিরোপা এনে দেওয়ার পর ব্যালন ডি'অর জিতেছিলেন রদ্রি। আর এখন বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল যোগ হওয়ায় তার ট্রফি ক্যাবিনেটে যুক্ত হলো ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত স্বীকৃতিগুলোর আরেকটি।

৩০ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের কৃতিত্ব শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আধুনিক ফুটবলে একজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারও যে সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত পুরস্কারগুলো জিততে পারেন, রদ্রি তারই উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছেন।

টিটিটি/এসকেডি/এএসএম