যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় চলমান ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতেও অব্যাহত রয়েছে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির আধিপত্য। টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে যে ১৬টি দল টিকে আছে, তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিষ্য পেপ গার্দিওলার।

টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ম্যান সিটির ছিল রেকর্ড ১৯ জন খেলোয়াড়। গ্রুপ পর্ব শেষে লাস্ট থার্টি টু ও লাস্ট সিক্সিটিনেও তাদের দাপট অটুট। ইংল্যান্ড, পর্তুগাল, নরওয়ে, বেলজিয়াম, স্পেনসহ একাধিক শক্তিশালী দলে রয়েছেন সিটির তারকারা। জন স্টোনস, মার্ক গুইহি, রুবেন ডায়াস, বার্নার্দো সিলভা, হালান্ড, রদ্রি, জেরেমি ডোকুসহ একাধিক তারকা এখনও বিশ্বকাপের লড়াইয়ে আছেন। ফলে ক্লাবটির প্রতিনিধিত্ব অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। টুর্নামেন্টজুড়ে তাদের ১৮ জন খেলোয়াড় ছিলেন। হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড), জামাল মুসিয়ালা, জোশুয়া কিমিখ (জার্মানি), ডায়োট উপামেকানো (ফ্রান্স), লুইস দিয়াজ (কলম্বিয়া)সহ তাদের খেলোয়াড়রাও বেশ কয়েকটি দলে প্রভাব বিস্তার করছেন।

বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে ইউরোপীয় ক্লাবগুলোর আধিপত্য স্পষ্ট। প্রিমিয়ার লিগ ও বুন্দেসলিগার খেলোয়াড়দের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি। এতেই বোঝা যায় ক্লাব ফুটবলের শক্তিশালী লিগগুলো কতটা প্রভাব ফেলছে আন্তর্জাতিক মঞ্চে।

শেষ ষোলোর লড়াইয়ে এই ক্লাব প্রতিনিধিত্ব নিঃসন্দেহে বাড়তি উত্তেজনা যোগ করবে। কোন ক্লাবের খেলোয়াড়রা নিজ দশকে কতদূর এগিয়ে নেবেন তা দেখতেই মুখিয়ে আছেন ফুটবলপ্রেমীরা।

আরআই/এসকেডি/এএসএম