এবারের বিশ্বকাপে অবিরাম বিতর্ক হচ্ছে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সিদ্ধান্ত নিয়ে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভিএআরের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না ফুটবলাররা। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও মিসর ম্যাচে ভিএআরের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। চাপের মুখে এই প্রযুক্তি নতুন করে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফা। জানা গেছে, এবার থেকে যে মাঠে ম্যাচ হচ্ছে, সেখানে দুজন ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি থাকবেন। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে এটি চালু হয়েছে। ভিএআরের মূল তিনজন রেফারি ডালাসের আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্র (আইবিসি) থেকে কাজ করেন। সেই নিয়ম বহাল থাকছে। তবে নতুন দুজন ভিএআরকে স্টেডিয়ামেও রাখা হবে।
ডালাসে বসে বিশ্বকাপের সব ম্যাচের দিকে নজর রাখে ভিএআর। এবার থেকে মাঠে যারা থাকবেন তারা অতিরিক্ত সুরক্ষা হিসাবে কাজ করবেন। কোনোভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে বা প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিলে তারাই তখন যোগাযোগ রাখবেন মাঠের রেফারির সঙ্গে। নতুন দুজন অফিশিয়ালের মধ্যে একজন ‘প্রাইমারি ভার’ এবং অপরজন ‘রিজার্ভ ভার’। ফ্রান্স ও মরক্কো ম্যাচে প্রাইমারি ভিএআর ছিলেন উরুগুয়ের লিয়োদান গঞ্জালেজ। আর রিজার্ভ ভিএআরের দায়িত্ব পালন করেছেন নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজম্যান।
ডালাসের আইবিসির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে তাদের ওপর দায়িত্ব ছিল মাঠের রেফারির সঙ্গে যোগাযোগ রাখার, যাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে খেলা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।







