বিয়ের দুই মাস পরই জানা গেল নববধূ ৭ মাস ১৯ দিনের অন্তঃসত্ত্বা। চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নববধূর মায়ের দায়ের করা মামলায় উয়ারুক গ্রামের লুতু মিয়ার ছেলে নিহাদ ইসলামকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, শাহরাস্তি উপজেলার ওই মেয়েটির দুই মাস আগে বিয়ে হয়। এরপর অসুস্থতা অনুভব করলে পরিবারের সদস্যরা তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানা যায়, তিনি ৭ মাস ১৯ দিনের অন্তঃসত্ত্বা।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটি জানায়, উপজেলার উয়ারুক গ্রামের নিহাদ ইসলামের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে নিহাদ তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। কিন্তু মেয়েটি যখন বিয়ের জন্য চাপ দেয়, তখন নিহাদ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে।
অভিযোগে বলা হয়, কিছুদিন আগে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে নিহাদ ও তার পরিবারের সদস্যরা মেয়েটি এবং তার পরিবারের কাছ থেকে জোরপূর্বক একটি খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে নেয়। নিহাদের পরিবারের ভয়ে তারা আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
পরে বিষয়টি শাহরাস্তি মডেল থানার নজরে এলে থানা পুলিশ মেয়েটির পরিবারকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দেয়। এরপর মেয়েটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী জানান, তার মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। হুমকি-ধমকির কারণে ভয়ে সে বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেনি। তিনি অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন,`প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও আটক করা হবে। ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।'








