রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে কিছু সবজির। তবে দাম কমেছে পোলট্রি মুরগির। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে ডিমসহ চাল-ডাল, আটা-ময়দা, পেঁয়াজ ও মাছ-মাংসের।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা। সেইসঙ্গে পেঁয়াজের দামও সামান্য বেড়ে হয়েছে ৩৫-৪০ টাকা।
এদিকে, সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো ২০০-২২০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৬০-২৮০, গাজর গত সপ্তাহের মতোই ১৬০-১৮০ টাকা, কাঁকরোল ৪০-৫০ টাকা, ঝিংগা ৩৫-৪০ টাকা, চালকুমড়া প্রতিপিস (আকারভেদে) ২৫-৩০ টাকা, কাঁচকলার হালি ২৫-৩০, দুধকুষি ৩০-৩৫, সজনে ১১০-১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০-১৪০, শসা ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০, লেবুর হালি আগের মতো ১০-১৫ টাকা, চিকন বেগুন ৫০-৬০, গোল বেগুন ৬০-৭০, পটল ২৫-৩০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৪৫, পেঁপে গত সপ্তাহের মতোই ২৫-৩০, বরবটি ৩০-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০, করলা ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৫০, লাউ (আকারভেদে) ৩০-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৫০, কচুরলতি আগের মতো ৪০-৫০ টাকা, কচুরমুখী ৫০-৬০ টাকা থেকে কমে ৪০-৫০, প্রতিকেজি ধনেপাতা অপরিবর্তিত ২০০-২৫০ টাকা, রকমভেদে শাকের আঁটি ১০ থেকে ২৫ টাকা, মিষ্টিকুমড়া গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৩৫০-৪০০ টাকা, কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতোই ২০-২৫ টাকা, সাদা আলু গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৩৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৩০-৩৫, শিল আলু ৪৫-৫০ এবং ঝাউ আলু ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া দেশি আদার দাম বেড়ে ২০০-২২০ টাকা থেকে হয়েছে ২২০-২৪০, আমদানি করা আদা ১৪০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০-১৮০, দেশি রসুন আগের মতো ১০০-১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মুলাটোল আমতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুল মজিদ ভুট্টু বলেন, ‘বাজারে কাঁচামরিচসহ অধিকাংশ সবজির আমদানি কমে গেছে।
গত ৩/৪ দিনের বৃষ্টির কারণে এমন হয়েছে। এ কারণে দামও বেড়েছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে দাম আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, মুরগি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ৩৩০-৩৪০ টাকা থেকে কমে ৩১০-৩২০, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ৩১০-৩২০ টাকা থেকে কমে ২৯০-৩০০, পাকিস্তানি লেয়ার ৩৩০-৩৪০ টাকা থেকে কমে ৩২০-৩৩০ এবং দেশি মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ৫৫০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৪২ টাকা। এছাড়া বাজারে গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে, খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০-২০৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০, খোলা চিনি ১০৫-১১০, ছোলাবুট ৯০-১০০, প্যাকেট আটা ৫৫-৬০ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৫৮, বিআর২৮- ৬০-৬৫ টাকা, বিআর২৯- ৫৫-৬০ টাকা, জিরাশাইল ৫০-৬০, মিনিকেট এবং নাজিরশাইল ৮০-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০, মৃগেল ২২০-২৫০, কারপু ২৫০-২৬০, পাঙাশ ১৫০-২৫০, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০, বাটা ১৮০-২৪০, শিং ৩০০-৪০০, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
জিতু কবীর/কেজে/জেআইএম








