চাঁদপুরের রামগঞ্জ উপজেলার একটি বাড়ি থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার ফরিদগঞ্জ বাজারের ‘ভাই ভাই শিল্পালয় অ্যান্ড জুয়েলার্স’ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার চোরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৩০ জুন) ফরিদগঞ্জ ও রামগঞ্জ থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে এই স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে।
এর আগে, রামগঞ্জ উপজেলার উত্তর চন্দিপুর গ্রামের একটি বাড়িতে চুরির ঘটনায় একই এলাকার মো. মহসিনের ছেলে মো. শান্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (১২ জুন) দিন-দুপুরে উত্তর চন্দিপুর গ্রামের মিলন রানী মালাকারের বাড়ি থেকে স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার রামগঞ্জ থানায় মামলা করলে পুলিশ তদন্তে নেমে শান্তকে গ্রেপ্তার করে। শান্তর দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রামগঞ্জ ও ফরিদগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যরা ফরিদগঞ্জ বাজারের উত্তর প্রান্তে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী শ্যামল দাসের ‘ভাই ভাই শিল্পালয় অ্যান্ড জুয়েলার্স’-এ অভিযান চালায়।
অভিযুক্ত শান্তর শাশুড়ি কুলছুমা বেগম জানান, তার জামাই বলেছে, স্বর্ণ কুড়িয়ে পেয়েছে। ‘ভাই ভাই শিল্পালয় অ্যান্ড জুয়েলার্স’ তার পরিচিত হওয়ায় তিনি সেখানে গিয়ে একটি স্বর্ণের চেইন ১ লাখ ২২ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।
স্বর্ণ ক্রয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে ওই জুয়েলার্সের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মচারীরা জানান, তারা টাকা দিয়ে স্বর্ণটি কিনেছেন।
এ বিষয়ে জানতে দোকানের মালিক শ্যামল দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় আরেক স্বর্ণ ব্যবসায়ী শঙ্কর দাস বলেন, “কুলছুমা বেগম যখন স্বর্ণ বিক্রি করেন, তখন আমরা উপস্থিত ছিলাম। যেহেতু, এগুলো চোরাই মাল, তাই বিক্রেতা কুলছুমা বেগমকে উপস্থিত রেখে স্বর্ণ উদ্ধার অভিযানে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা হয়েছে।”
ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক পিয়াস বড়ুয়া জানান, গ্রেপ্তার শান্ত ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার কাছিয়াড়া কলেজগেট এলাকায় মোল্লা বাড়ির শিপন মোল্লার মেয়েকে বিয়ে করেন প্রায় পাঁচ বছর আগে। চুরির পর তিনি তার শ্বাশুড়ি কুলছুমা বেগমকে দিয়ে স্বর্ণালংকার বিক্রি করান।”








