২৯ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় প্রকৃত আসামির পরিবর্তে প্রক্সি দিতে এসে ধরা পড়ার অভিযোগে মনোয়ারা বেগমকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) রিমান্ড শেষে মনোয়ারাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার আবেদন মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত শুক্রবার একই মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম  মনোয়ারার দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২৯ লাখ টাকার একটি চেক ডিজঅনারের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ নিবেদিতা আহমেদ তুলি নামে এক সরকারি কর্মকর্তা আদালতে মামলা করেন। মামলার প্রকৃত আসামি নাসরিন সিকদারের আদালতে হাজিরার দিন ছিল চলতি বছরের ১৬ জুন। নির্ধারিত দিনে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ তানিয়া সুলতানা লিপি তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন এবং পরবর্তী শুনানির জন্য ২০ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

গত ২৫ জুন নাসরিন সিকদারের পরিবর্তে মনোয়ারা বেগমকে আদালতে হাজির করে তার পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী মো. হাম্মাদ এমদাদ হোসাইন। বিষয়টি আদালতের কাছে সন্দেহজনক মনে হলে মনোয়ারাকে তাৎক্ষণিকভাবে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

ঘটনার পর ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিয়া মো. ইব্রাহিম খলিল অপু বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে নাসরিন সিকদার, মনোয়ারা বেগম এবং আইনজীবী মো. হাম্মাদ এমদাদ হোসাইনকে।

এমডিএএ/জেএইচ