কুমিল্লার দাউকান্দি থানার ওসি আব্দুল বারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দাউদকান্দি থানার এসআই মো. ইমাম উদ্দিন এবং এএসআই হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর তোপের মুখে পড়েন ওসি। মাদক বিক্রির ঘটনা নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। রাজনৈতিক সামাজিক এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ দাউদকান্দি থানা পুলিশের কার্যকলাপ নিয়ে সমালোচনা শুরু করে। এতে এদিন সন্ধ্যায় তাকে ওই থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদ এবং ওই থানা এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটায় ওসি আব্দুল বারীকে প্রত্যাহার করে প্রলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, পুলিশ পরিদর্শক নিরস্ত্র মো. আব্দুল বারীকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক কারণে সংযুক্ত করা হলো। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এদিকে এর আগে, মঙ্গলবার দুপুরে আইনশৃঙ্খলা সভায় যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে ওসির কাছে ব্যাখ্যা দাবি করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। এতে মাদকের ব্যাপক বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সেখানে উপস্থিত ওসি বারী বিষয়টি নিয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

দাউদকান্দি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. খলিলুর রহমান বলেন, ওসি প্রত্যাহারের আদেশটি এখনো হাতে পাইনি বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা।