উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীর শহড়াবাড়ী স্পারের ৩০ মিটার অংশ ধসে নদীতে বিলীন হয়েছে। আজ রোববার সকাল ৮টা থেকে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় ধসে পড়ে স্পার এলাকা। ভাঙনরোধে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে যমুনা। ভাঙনে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের বৈশাখী, রাঁধানগর, বথুয়ারভিটা, নিউ সারিয়াকান্দি, আটারচর পুকুরিয়া, ভূতবাড়ি, কৈয়াগাড়ি বানিয়াজানসহ প্রায় ৯টি গ্রাম ধুনটের মানচিত্র থেকে বিলীন হয়ে গেছে। এসব গ্রামের মানুষ দফায় দফায় ভাঙনের শিকার হয়ে ফসলি জমি, বসতভিটা ও ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে আশ্রয় নিয়েছে বাঁধের ওপর।
পাউবো সূত্রে জানা গেছে, ভাঙনরোধে ২০০৩ সালে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড শহড়াবাড়ী ও বানিয়াজান এলাকায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নদীর আড়াআড়ি ১ হাজার ১০০ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি স্পার নির্মাণ করে। স্পারের মাথায় নদীর ভেতরে ৩০০ মিটার কংক্রিট ঢালাই করা হয়। তীব্র স্রোতে দফায় দফায় শহড়াবাড়ী স্পারের কংক্রিটের অংশও ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অন্য ৮০০ মিটার স্পার ছিল মাটির তৈরি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, তীব্র স্রোতে যমুনা নদীর শহড়াবাড়ী স্পারের কয়েকটি স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। আজ রোববার সকাল ৮টা থেকে দুপুর পর্যন্ত স্পারের সামনের ৩০ মিটার অংশ ধসে যমুনায় বিলীন হয়েছে। ভাঙনরোধে পাউবো বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলছে।
শহড়াবাড়ী গ্রামের মাহমুদুল হাসান বলেন, আজ সকাল ৯টার দিকে স্পারে হঠাৎ ভাঙন দেখা দেয়। মুহূর্তের মধ্যে ৩০ মিটার ধসে যায়। এই ভাঙন না থামানো গেলে এলাকা শেষ হয়ে যাবে।
বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক বলেন, স্পারের ৩০ মিটার অংশ ধসে গেছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধের চেষ্টা চলছে।








