জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার মহব্বতপুর গ্রামে দিবালোকে বাড়ির সামনে বেঁধে রাখা একটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। গরু নিয়ে আক্কেলপুরের পালশা এলাকার চিরি নদী পার হওয়ার সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হন চোর। পরে তাঁকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দেন তাঁরা। আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তির নাম শফিকুল ইসলাম ওরফে নুর আলম (৫৫)। তিনি জয়পুরহাট সদর উপজেলার হানাইল দীঘিরপাড় গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে গরু চুরির একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহব্বতপুর গ্রামের বাসিন্দা রুহুল আমিন প্রতিদিনের মতো সকালে বাড়ির সামনে দুটি গরু বেঁধে রাখেন। দুই ঘণ্টা পর একটি গরু দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। গরুসহ নদী পার হওয়ার সময় অপরিচিত এক ব্যক্তিকে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তাঁরা গরুর মালিকানা জানতে চাইলে গরুটি নিজের বলে দাবি করেন চোর। এরই মধ্যে মহব্বতপুর গ্রাম থেকে একটি গরু চুরির খবর সেখানে পৌঁছে যায়। স্থানীয়রা গরুর মালিক রুহুল আমিনকে খবর দিলে তিনি গরুটি নিজের বলে শনাক্ত করেন।
এরপর উত্তেজিত জনতা নুর আলমকে আটক করে মারধর করেন। খবর পেয়ে আক্কেলপুর থানা-পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে চোরাই গরুসহ থানায় নিয়ে যায়।
গরুর মালিক রুহুল আমিন বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো সকালে গোয়ালঘর থেকে গরু বের করে বাড়ির সামনে বেঁধে রেখেছিলাম। কিছুক্ষণ পর গিয়ে দেখি একটি গরু নেই। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পালশা গ্রামে গরুসহ একজনকে আটকের খবর পাই। সেখানে গিয়ে আমার গরুটি শনাক্ত করি।’
পালশা গ্রামের বাসিন্দা ফজলুর রহমান বলেন, ‘অপরিচিত একজনকে গরু নিয়ে নদী পার হতে দেখে আমাদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাঁকে মারধর করেন।’
আক্কেলপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোমিনুল ইসলাম বলেন, ‘গরু চুরির ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন। গরু আদালতের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হবে।’








