কুমিল্লার তিতাসে একটি ধর্ষণ মামলার ডিএনএ পরীক্ষায় অভিযোগের প্রমাণ না মেলায় প্রধান আসামি মো. আক্তার হোসেন (৫৫) প্রায় ছয় মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। গত মঙ্গলবার কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ আদালত ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে তাকে জামিন দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ডিএনএ পরীক্ষায় মানসিক প্রতিবন্ধী এক তরুণীর ভূমিষ্ঠ সন্তানের সঙ্গে আক্তার হোসেনের ডিএনএর মিল পাওয়া যায়নি। ওই প্রতিবেদন আদালতে দাখিল হওয়ার পর বিচারক তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
মুক্তির পর আক্তার হোসেন বলেন, অবশেষে সত্যের জয় হয়েছে। এ ঘটনায় আমি সামাজিক, পারিবারিক ও অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছি। প্রায় ছয় মাস কারাভোগ করেছি। আমার সামাজিক মর্যাদাহানি ও আর্থিক ক্ষতির যথাযথ ক্ষতিপূরণ চাই।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালে তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়ন এলাকার ২১ বছর বয়সি এক মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে একটি ভবনে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে। পরে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
এ ঘটনায় ওই তরুণীর মা তিতাস থানায় আক্তার হোসেনকে প্রধান আসামি করে মামলা করেন। এ মামলায় আক্তারের তিন ভাই, এক ভাগিনা ও রুহুল আমিন নামে আরও একজনকে আসামি করা হয়।
এ মামলায় অন্য আসামিরা জামিন পেলেও আক্তারকে কারাগারে পাঠান বিচারক। পাশাপাশি ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়। সম্প্রতি সেই প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়।
মুক্তির পর আক্তার হোসেন বলেন, আমার মতো যেন কোনো নিরপরাধ মানুষ মিথ্যা অভিযোগে হয়রানির শিকার না হন। এদিকে ওই তরুণীর সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর পরিবারটি এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। এছাড়া তাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।








