ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আব্দুল লতিফ তার চাকরিচ্যুতিকে বেআইনি, একতরফা ও ন্যায়বিচারের নীতির পরিপন্থি দাবি করে এর তদন্ত ও চাকরি পুনর্বহালের আবেদন করেছেন।
রোববার (৫ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের কাছে এই আবেদন করা হয়। এতে তিনি অভিযোগ করেন, গত ২৫ জুন ডিএসই কর্তৃপক্ষ কোনো পূর্ব নোটিশ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে শুধু ‘পদের আর প্রয়োজনীয়তা নেই’ কারণ দেখিয়ে তাকে চাকরিচ্যুত এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করে।
আবেদনে আব্দুল লতিফ বলেন, তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে ডিএসইতে দায়িত্ব পালন করেছেন। চাকরিকালে তার কর্মদক্ষতা ও আচরণের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। এমন অবস্থায় কোনো কারণ দর্শানো নোটিশ বা শুনানির সুযোগ ছাড়াই চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত শ্রম আইন, চাকরির বিধিমালা এবং করপোরেট গভর্ন্যান্স নীতিমালার পরিপন্থি।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের একজন স্থায়ী কর্মকর্তাকে এভাবে আকস্মিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া শুধু আইনবিরোধী নয়, মানবাধিকারেরও লঙ্ঘন। এই সিদ্ধান্তের কারণে তিনি ও তার পরিবার আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং তার দীর্ঘদিনের পেশাগত ও সামাজিক সুনামও ক্ষুণ্ন হয়েছে।
আরও পড়ুন
ডিএসই / ‘হুট করে ডেকে নিয়ে চিঠি ধরিয়ে বললো, আপনার চাকরি নেই’
আবেদনে আব্দুল লতিফ উল্লেখ করেন, দেশের প্রধান পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিএসইর কাছ থেকে এ ধরনের অস্বচ্ছ ও আইনবহির্ভূত আচরণ প্রত্যাশিত নয়।
এ পরিস্থিতিতে তিনি ডিএসইর চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বাতিল, চাকরির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বকেয়া বেতন-ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধাসহ তাকে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার পদে পুনর্বহালের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
আবেদনের অনুলিপি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান, ডিএসইর চেয়ারম্যান এবং ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
এমএএস/একিউএফ








