আটলান্টা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটে বড় চমক দেখাল মিসর। আক্রমণে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে না পারলেও একটি সেট আক্রমণ থেকেই গোল পেয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে আফ্রিকার দলটি। তবে লিওনেল মেসি পেনাল্টি থেকে সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি।
ম্যাচের শুরুতে বলের দখল নিয়ে লড়াইয়ে ব্যস্ত ছিল দুই দল। আর্জেন্টিনা চেষ্টা করছিল লিওনেল মেসিকে মাঝমাঠ থেকে বেশি বল জোগাতে, অন্যদিকে মিসরের আক্রমণের মূল ভরসা ছিলেন মোহাম্মদ সালাহ। তবে প্রথম ১২ মিনিটে কোনো দলই প্রতিপক্ষের গোলমুখে উল্লেখযোগ্য শট নিতে পারেনি।
এর মধ্যেই দ্বিতীয় মিনিটে কিছুটা দুশ্চিন্তা তৈরি হয় আর্জেন্টিনার। মোহামেদ হানির সঙ্গে সংঘর্ষে হাঁটুতে আঘাত পান এনসো ফের্নান্দেস। যদিও চিকিৎসা নেওয়ার পর দ্রুতই মাঠে ফিরে আসেন এই মিডফিল্ডার।
ষষ্ঠ মিনিটে বাম দিক দিয়ে এগোনোর চেষ্টা করেছিলেন এমাম আশুর। কিন্তু নাউয়েল মোলিনার ট্যাকলে সেই আক্রমণ থেমে যায়। দুই মিনিট পর মারাওয়ান আতিয়ার উড়িয়ে দেওয়া ক্রস বিপজ্জনক হয়ে উঠলেও লিসান্দ্রো মার্তিনেস হেড করে বল সরিয়ে দেন।
দশম মিনিটে প্রথমবারের মতো গোলের কাছাকাছি পৌঁছায় আর্জেন্টিনা। রদ্রিগো দি পলের পাস থেকে ছয় গজের বক্সে বল পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি এনজো ফার্নান্দেজ। তবে পরে সহকারী রেফারি অফসাইডের পতাকা তোলায় সেই সুযোগটি হিসাবের বাইরে চলে যায়।
যখন মনে হচ্ছিল প্রথমার্ধের শুরুটা গোলশূন্যই কাটবে, তখনই আসে ম্যাচের প্রথম আঘাত। ১৫ মিনিটে মারাওয়ান আতিয়ার দারুণ ক্রসে বক্সের ভেতরে উঠে আসেন সেন্টারব্যাক ইয়াসির ইব্রাহিম। আর্জেন্টিনার রক্ষণকে হারিয়ে তাঁর শক্তিশালী হেডে কোনো সুযোগই পাননি গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস। সেই গোলেই ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মিসর।
শুরুতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলেও একটি মুহূর্তের রক্ষণভুলে পিছিয়ে পড়েছে আর্জেন্টিনা। এখন সমতায় ফিরতে হলে মেসি-হুলিয়ান আলভারেসদের আক্রমণে আরও ধার বাড়াতে হবে।








