পেনালটি মিস করে হতাশ কিলিয়ান এমবাপ্পে। আত্মবিশ্বাস হারাননি কোচ দিদিয়ের দেশম। দলের সেরা খেলোয়াড়ের ওপর ছিল তার আস্থা। প্রতিদান দিতে ভুল করেননি শিষ্য। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে গোল করে দলকে পৌঁছে দেন কাক্সিক্ষত গন্তব্যে। এমবাপ্পের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ভর করে বিশ্বকাপে টানা তৃতীয়বার সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে বর্তমান রানার্সআপ ফ্রান্স। ম্যাচ শেষে শিষ্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ফরাসি কোচ।

বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ চারে ওঠে ফরাসিরা। ম্যাচের ৬০ মিনিটে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। ছয় মিনিট পর উসমান দেম্বেলে দ্বিতীয় গোল করে জয় নিশ্চিত করেন। ম্যাচ শেষে দেশম বলেন, ‘কিলিয়ানের কোনো সমস্যা নেই। সে কখনো নিজের ওপর বিশ্বাস হারায় না। গোল করার আগে সুযোগ হাতছাড়া করেছিল, তাতে তার আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরেনি।’

বিশ্বকাপে ২০ ম্যাচ খেলে ২০টি গোল করেছেন এমবাপ্পে। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে শিরোপা জেতানোর অন্যতম নায়ক তিনি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আট গোল করে গোল্ডেন বুট জেতেন। ফাইনালে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করেন। এবার তার গোল এখন পর্যন্ত আট। আগের আসরের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে। ম্যাচের শেষদিকে এমবাপ্পেকে তুলে নেওয়ার কারণ হিসাবে দেশম বলেন, ‘গোড়ালিতে হালকা চোট পাওয়ায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে তাকে তুলে নিই। টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠতে পেরে আমি গর্বিত। এটা দেখতে যতটা স্বাভাবিক মনে হয়, অর্জন করা ততটাই কঠিন।’

সেমিফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ স্পেন ও বেলজিয়াম ম্যাচের জয়ী দল। ১৪ জুলাই ডালাসে সেই ম্যাচ। সেদিন ফ্রান্সের জাতীয় দিবসও। প্রতিপক্ষ নিয়ে দেশম বলেন, ‘সামনে সেমিফাইনাল। আরও একটি কঠিন ধাপ বাকি। গুরুত্বপূর্ণ একটি বাধা পার হয়েছি।’ ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনাল। তার আগের দিন মায়ামিতে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। দেশমের দৃষ্টি আপাতত ১৪ জুলাইয়ের সেমিফাইনালে।