একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের মধ্যে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের (এসআইবিএল) প্রশাসক প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে এখন থেকে ব্যাংকটির কার্যক্রম সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এর আগে এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রশাসক প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এসআইবিএল ব্যাংকের প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. আবুল বাশার তার দল তুলে নিতে চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই চিঠি পাঠানো হয়। বর্তমানে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকে প্রশাসক রয়েছে । আগামী ১৩ আগস্টের মধ্যে বাকি তিনটা ব্যাংক থেকে প্রশাসক প্রত্যাহার করে কার্যক্রম সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের তত্ত্বাবধানে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করা হয়। ওই সময় ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের অপসারণ করা হয়। পরে ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম তদারকির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক প্রশাসক নিয়োগ দেয়। গত জুনে সরকার কাজী শায়রুল হাসানকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং আবেদুর রহমান শিকদারকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়। নতুন পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব গ্রহণের পর পর্যায়ক্রমে প্রশাসক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এই ধারাবাহিকতায় আজ এসআইবিএল এবং এর আগে এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রশাসক শওকাতল আলম ও তার প্রতিনিধিদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ১৩ আগস্টের মধ্যে একীভূত হওয়া বাকি তিনটা ব্যাংক থেকেও প্রশাসক প্রত্যাহার করা হবে।তারা বলেন, প্রশাসক প্রত্যাহারের পর সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূত ব্যবস্থাপনার আওতায় ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম পরিচালনার প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাজনীতি
এসআইবিএল থেকে প্রশাসক প্রত্যাহার

শেয়ার করুন







