গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী হত্যা মামলার প্রধান আসামি বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মোকলেসুর রহমান মুকুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ জুলাই) মধ্যরাত ১২টার দিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি এ প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেন সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম। তবে, তাকে কোথা থেকে এবং কখন গ্রেপ্তার করা হয়েছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি তিনি।
ওসি মাহবুব আলম বলেন, “হ্যাঁ, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এতটুকুই জেনে রাখেন। এখনো অভিযান চলমান। এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানাবেন।”
গ্রেপ্তার মোকলেসুর রহমান মুকুল বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক। তিনি বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে।
নিহত সাইফুল্লাহ বারী বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন। তিনি একই ইউনিয়নের শিমুল তাইর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
গত ২১ জুন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বোনারপাড়া বাজারের চারমাথা চত্বরে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মুকুল ও শিবির কর্মী সালাউদ্দিন ও সাইফুল্লাহ বারীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর কিছুসময় পর মুকুল, তার ভাই পলাশ, যুবদল নেতা আশরাফ ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইউনিয়ন ছাত্রশিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী ও সালাউদ্দিনের ওপর হামলা চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় সাইফুল্লাহ বারীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপর আহত সালাউদ্দিনকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও শারীরিক পরিস্থির উন্নতি না হলে ২২ জুন রাতেই তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি একই ইউনিয়নের ফুটানি বাজার এলাকার দুদু মিয়ার ছেলে ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী।
এ ঘটনার পরদিন ২২ জুন রাতে সাঘাটা থানায় হত্যা মামলা করেন নিহত সাইফুল্লাহ বারীর বাবা মুয়াজ্জিন হাবিবুর রহমান। মামলায় যুবদল নেতা মুকুলকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাত ১৪ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়।








