ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক মার্কিন নাগরিককে গ্রেফতার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। দেশটির গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেফতার হওয়া ২০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি ইসরায়েলের বিভিন্ন ‘সংবেদনশীল স্থাপনার’ ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তির কাছে পাঠানোর অভিযোগে অভিযুক্ত।
টাইমস অব ইসরায়েল ও জেরুজালেম পোস্ট পুলিশের বিবৃতির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তেহরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক এজেন্টের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। প্রতিটি কাজের বিনিময়ে তিনি কয়েক ডলার থেকে শুরু করে কয়েকশ ডলার পর্যন্ত পারিশ্রমিক পেয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ৯ জুন জেরুজালেম জেলা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউটরের ঘোষণা (প্রসিকিউটরস ডিক্লারেশন) দাখিল করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।
এ ঘটনায় ইসরায়েলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণে তেহরান কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন দেখছে না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) তিনি আরও বলেন, এই প্রণালিতে মাইন অপসারণের বিষয়টি একটি সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়।
সম্প্রতি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণ করে গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক রুটটি নিরাপদ করতে ও জলযানগুলোর বাধাহীন চলাচল নিশ্চিতে আমরা আমাদের মিত্রদের সঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
ফ্রেঞ্চ প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যের পরই ইরান জানালো এ কাজে তারা তৃতীয় কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ বরদাশত করবে না।
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএসএম








