কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া এক ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন পা খুঁজে না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় হাসপাতালের অস্ত্রোপচার কক্ষে (ওটি) এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরা। শেষ পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন পা ছাড়াই মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়েছে পরিবারকে।নিহত হাসেম আলী (৬০) কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আব্দালপুর ইউনিয়নের পশ্চিম আব্দালপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন।নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে আব্দালপুর এলাকার শাহপুর নতুন মসজিদ মোড়ে ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ভ্যানযাত্রী হাসেম আলীর ডান পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসক তাকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়। কিন্তু মরদেহ হস্তান্তরের সময় অস্ত্রোপচার কক্ষে তার বিচ্ছিন্ন পাটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।নিহতের ভাই রাশিদুর রহমান অভিযোগ করেন, অস্ত্রোপচার কক্ষেই পা থাকার কথা ছিল, কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা দিতে পারেনি। আব্দালপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আলী হায়দার স্বপন বলেন, “হাসপাতালের ওটিতে দীর্ঘ সময় খুঁজেও পা পাওয়া যায়নি। এটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ঘটনা। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ইকবাল হাসান বলেন, “শুনেছি হাসপাতালের কর্মীরা কাটা পা স্বজনদের বুঝিয়ে দিয়েছেন। পরে কী হয়েছে তা জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”/