ইরানে আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর কথা বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘ব্যাপক হামলা’ চালানোর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন।
ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানে আগের চেয়েও বড় ধরনের হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছেন এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার খুব কাছাকাছি রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি একটি ব্যাপক হামলার কথা বিবেচনা করছি। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বড় হামলা। সিদ্ধান্ত নেওয়ার খুব কাছাকাছি আছি। এর জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।’
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু হলে ইসরায়েলও তাতে যোগ দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, তিনি নির্দেশ দিলে ইসরায়েল ‘দুই মিনিটের মধ্যেই’ অভিযানে যোগ দেবে। তবে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্য কোনো দেশের সহযোগিতার প্রয়োজন নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের কারও প্রয়োজন নেই।’
ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, দেশটি এখনো যথেষ্ট ‘ব্যথা’ অনুভব করেনি।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানকে ঘিরে সামরিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।
ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি বিবেচনা করছে। তবে এ ধরনের হামলা কখন বা কীভাবে চালানো হবে, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাননি।
ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নতুন মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ওপরও বড় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।







