পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ১৫ হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা পাওয়ার আশা করছে ইউক্রেন। রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযানের মধ্যে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম সচল রাখতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এ অর্থ প্রদান করা হবে।

রোববার (২৮ জুন) ইউক্রেনের অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে এ সংবাদ প্রকাশ করেছে রুশ বার্তা সংস্থা তাস।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউক্রেনের প্রয়োজন হবে ৪ হাজার ৬৪০ কোটি ডলার। এরপর ধারাবাহিকভাবে ২০২৭ সালে ৪ হাজার ৭৭০ কোটি ডলার, ২০২৮ সালে ৩ হাজার ৫ কোটি ডলার এবং ২০২৯ সালে ২ হাজার ৪৭০ কোটি ডলার প্রয়োজন। তবে, এসব হিসাব প্রাথমিক এবং ভবিষ্যতে সংশোধিত হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিয়েভ আশা করছে, জব্দ করা রুশ সম্পদের আয় ব্যবহারের জন্য গৃহীত ইকোনমিক রেজিলিয়েন্স অ্যাকশন (ERA) কর্মসূচির আওতায় এই অর্থের একটি অংশ পাওয়া যাবে। এছাড়া পশ্চিমা দেশগুলো, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এবং বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ ও অনুদানের মাধ্যমেও বাকি অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে পশ্চিমা মিত্রদের সহায়তায় যুদ্ধক্ষেত্রে বেশ শক্ত অবস্থান নিয়েছে ইউক্রেন।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে ৬৬০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এসব ড্রোন হামলার জেরে ক্রিমিয়ায় জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর এক রাতে এটিই সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সাল থেকে ইউক্রেনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে আছে রাশিয়া। এতে দুই দেশেরই বহু সেনা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে, সম্প্রতি পুতিন জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে রাশিয়া। অ্যাংকোরেজ ও ইস্তাম্বুল চুক্তি এবং বর্তমান বাস্তবতার ভিত্তিতে এই আলোচনা হতে হবে।

কেএম