সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনায় ছাত্রীসংস্থাকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার কেন্দ্রীয় সভানেত্রী মুনজিয়া ও সেক্রেটারি জেনারেল ডা. নাহিয়ান ফাইরুজ এক বিবৃতিতে এ দাবি করেন।

আরও পড়ুন

ওই নারী এমপি নজরুলের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’: ভিডিও বার্তায় প্রথম স্ত্রী

বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘আমরা এ মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাতক্ষীরার এ ঘটনায় জড়িত মোছা. মরিয়ম বেগম (পিতা মো. মাসুম বিল্লাহ) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার সঙ্গে জড়িত নন।’

তারা আরও বলেন, পবিত্র কোরআনে সুরা হুজরাতের ৬ নং আয়াতে বলা হয়েছে- ‘হে ঈমান গ্রহণকারীগণ, যদি কোনো ফাসেক তোমাদের কাছে কোনো খবর নিয়ে আসে তাহলে তা অনুসন্ধান করে দেখ। এমন যেন না হয় যে, না জেনে শুনেই তোমরা কোনো গোষ্ঠীর ক্ষতি করে বসবে এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হবে।’ সবাইকে যাচাইবিহীন এমন তথ্য প্রচার না করার অনুরোধ করা হলো।

আরও পড়ুন

জামায়াতের বিবৃতি / গাজী নজরুলের বিষয়ে আরও খোঁজ-খবর নিয়ে সাংগঠনিক পদক্ষেপ

বিবৃতিতে সংগঠনটির নেত্রীরা বলেন, ‘আমরা জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে স্বচ্ছতা, সততা ও ইনসাফ প্রত্যাশা করি। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা বিশ্বাস করে, স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পারস্পরিক মিথ্যাচার পরিহার করে সততা, শ্রদ্ধাবোধ ও নৈতিকতার সঙ্গে আমাদের কাজ করে যেতে হবে ইনশাআল্লাহ।’

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে নতুন করে সামনে এসেছে মরিয়ম খাতুন নামের এক তরুণীর বায়োডাটা। জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন, ভাইরাল ভিডিওতে থাকা নারী তার বৈধ দ্বিতীয় স্ত্রী। একই দাবি করেছেন তার প্রথম স্ত্রী, ওই নারী এবং নারীর বাবাও।

আরএএস/কেএসআর