ইউক্রেনের হামলায় তেল শোধনাগার ও ডিপোগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তীব্র জ্বালানি সংকটে পড়েছে রাশিয়া। যুদ্ধের রসদ বন্ধ করতে ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে যে কৌশল নিয়েছে, তাতে তেল সমৃদ্ধ দেশটিতে রীতিমতো হাহাকার শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটি কিছু জ্বালানি পণ্যের রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার বিজনেস ইনসাইডারের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়া উপদ্বীপে সংকট সবচেয়ে প্রকট আকার ধারণ করেছে। অঞ্চলটির রুশ-সমর্থিত প্রশাসক সের্গেই আকসিওনভ বুধবার এক বিবৃতিতে বলেন, জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত চাপের মধ্যে রয়েছে এবং কিছু সময় এ অবস্থা অব্যাহত থাকবে। এর আগে গত ২২ জুন ক্রিমিয়া প্রশাসন ঘোষণা দেয়, সাময়িকভাবে সাধারণ জনগণের কাছে জ্বালানি বিক্রি বন্ধ রেখে কেবল ফেডারেল সরকার ও জরুরি সেবা খাতে জ্বালানি সরবরাহ করা হবে। গত রোববার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই সংকটের কথা স্বীকার করেছেন এবং বাজার স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিশেষ করে কৃষি খাতে জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।