ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির জীবিত আজীবন সদস্যকে ‘মৃত’ দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে সাদেকুজ্জামান মিলন পাল নামের এক ব্যক্তির নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। বুধবার সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ‘আজীবন সদস্যকে মৃত দেখিয়ে সদস্য পদ বাতিল প্রসঙ্গে’ শিরোনামে অভিযোগ দেন মিলন পাল। ওই অভিযোগে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের এক নম্বর রেজিস্টার অনুযায়ী ৬৮ নম্বর আজীবন সদস্য ছিলাম। কিন্তু রেজিস্টারে মৃত দেখিয়ে সদস্য পদ বাতিল করা হয়। যারা ‘মৃত’ দেখিয়ে সদস্য পদ বাতিল করেছেন, সে বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে আমাকে ৬৮ নম্বর সিরিয়াল পুনঃবহাল করবেন।

জানা গেছে, সাদেকুজ্জামান ১৯৫৭ সালের ১ জুলাই ফরিদপুর সদরের ডিক্রির চর ইউনিয়নের পালডাঙ্গী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৫ সালে পদ্মা নদীর ভাঙনের শিকার হয়ে তিনি বর্তমানে শহরের হাবেলী গোপালপুর মহল্লায় বসবাস করছেন। তিনি ১৯৮৪-২০১৭ ফরিদপুর সদরের ডিক্রির চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। সূত্র জানায়, ১৯৮৩ সালে ফরিদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র ঝিলটুলী মহল্লায় ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতি স্থাপিত হয়। সমিতির উদ্যোগে প্রথমে ডায়াবেটিক হাসপাতাল ও পরে ডায়াবেটিক মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। হাসপাতালটি বর্তমানে ৫শ শয্যাবিশিষ্ট। মেডিকেল কলেজটিতে প্রতিবছর ৯০ শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন। বর্তমানে ১৭তম ব্যাচ ভর্তি হয়েছে। এ বিষয়ে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মজিবর রহমান বলেন, ভুলবশত জীবিত সদস্যকে ‘মৃত’ দেখানো হয়েছে। এ ভুলের জন্য দুঃখিত। ভুল সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে আদালতে মামলা চলমান। মামলা চলাকালে ভোটার তালিকা সংশোধনের উপায় নেই। মামলা নিষ্পত্তি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।