জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় অডিটোরিয়াম ফাঁকা থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম। বক্তব্য দেওয়া শিক্ষকদের উদ্দেশে নিজ বিভাগ থেকে অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে আসার জন্য বলেছেন তিনি।
বুধবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভা শুরু হয়। নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পেরিয়ে বিকেল ৩টায় সভা শেষ হয়। অনুষ্ঠানের সবশেষ বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এরমধ্যে অডিটোরিয়াম ত্যাগ করেন আগে বক্তব্য রাখা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেকে।
আরও পড়ুন
জুলাইয়ের অনুষ্ঠানে সাবেক জাসদ নেতা, ‘এনসিপি বয়কট’ স্লোগান
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘দায়িত্ব এক পক্ষ থেকে হয় না, সব পক্ষের থেকে থাকতে হবে। আমরা সবাই বক্তব্য শুনতে চাই, কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু আপনারা বক্তব্য দিয়ে এখানেই থাকবেন এবং নিজ বিভাগ থেকে শিক্ষার্থী আনবেন। আপনাদের বক্তব্য শুধু আমাদের শুনে লাভ নেই, আমাদের শিক্ষার্থীদেরও শুনতে হবে। তারা জানবে ও বুঝবে জুলাই কী ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আজকের প্রোগ্রামে থাকার কথা ছিল।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘আমি কয়দিন যোগদান করেছি, সেটি চিন্তা করতে হবে। গত দুই বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ে কী হয়েছে, আপনারা কোথায় ছিলেন? শিক্ষার্থীদের পাঠাচ্ছেন—এটা দাও, ওটা দাও। একসঙ্গে বিভাগে ও এখানে প্রোগ্রাম চলছে। শিক্ষার্থীরা এখানে থাকবে নাকি বিভাগে থাকবে? আবার নিউজ করবেন উপাচার্যের বক্তব্যের সময় লোক ছিল না।’
আরও পড়ুন
স্কুলব্যাগ-পরনের কাপড়ের মাঝে আজও মারুফকে খুঁজে ফেরেন মা মোর্শেদা
নিজেদের একটু দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়ে অধ্যাপক খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘আরেকজনের বিরুদ্ধে কথা বলা খুব সহজ। আপনার দায়িত্ব কী? এখানে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা বক্তব্য দিয়ে গেছেন, কতজন এখানে উপস্থিত আছেন? শুধু বক্তব্য দেবেন, অন্যের বক্তব্য শুনবেন না—এটা কী ধরনের ভদ্রতা?’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রতিনিধিরা।
এসএইচ জাহিদ/এসআর/জেআইএম








