জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নজরুল ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি কাজে ক্যাম্পাসের বাইরে থাকায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। এ সময় তিনি কবির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পরে কবির স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার নাজমুল হাসান, নজরুল মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন কমিটি-২০২৬-এর আহ্বায়ক ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা প্রিন্স), শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জনি, গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোহা. আজিজুর রহমান ও ইন্সটিটিউট অব নজরুল স্টাডিজের অতিরিক্ত পরিচালক রাশেদুল আনাম উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি হারুনুর রশিদ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান ও সদস্য-সচিব মামুন সরকারসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম।
এর আগে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে কবির আত্মার মাগফিরাত কামনায় কোরআন খতম অনুষ্ঠিত হয়। বাদ জোহর দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মো. আব্দুল হাকীম।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ৩০ আগস্ট বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে কবিতা আবৃত্তি ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয় তলার কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন। এ বছর কবির প্রয়াণের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। কবির নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে তার মৃত্যুবার্ষিকীর এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে তার সাহিত্য, মানবতাবাদ, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে স্মরণ করা হচ্ছে।







