ইংল্যান্ড ২ : ০ পানামা
ক্রোয়েশিয়া ২ : ১ ঘানা
বৃথাই গেল স্কটল্যান্ডের ৭১ ঘণ্টার অপেক্ষা।
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা স্কটিশরা ‘সি’ গ্রুপে শেষ ম্যাচ খেলেছিল ২৫ জুন। ৩ ম্যাচে পাওয়া ৩ পয়েন্টে তাৎক্ষণিকভাবে নকআউট নিশ্চিতের জন্য যথেষ্ট ছিল না। অপেক্ষা ছিল তৃতীয় স্থানধারীদের মধ্যে সেরা আটে যদি থাকা যায়!
স্কটল্যান্ডের সে আশায় আজ গুড়েবালি দিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। ২০১৮ আসরের রানার্সআপরা আজ ঘানাকে ২–১ গোলে হারিয়ে ‘এল’ গ্রুপে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে। আগে থেকে ৪ পয়েন্ট থাকায় ঘানারও ক্ষতি হয়নি। মাঝখান দিয়ে স্কটল্যান্ড বাদ পড়েছে শেষ ম্যাচ খেলার তিনদিন পর।
তবে স্কটিশদের হতাশার রাতে হেসেছে ইংল্যান্ড। পানামাকে ২–০ গোলে হারিয়ে ‘এল’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টমাস টুখেলের দল। একটি করে গোল করেছেন হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম।
কেইন অবশ্য রেকর্ডই গড়ে ফেলেছেন। ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে হেডে করা গোলটি বিশ্বকাপে কেইনের ১১তম। ইংল্যান্ডের হয়ে এটি সর্বোচ্চ। এর আগে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে গ্যারি লিনেকারের ১০ গোলের রেকর্ড ছুঁয়েছিলেন ৩২ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার।
কেইনের গোলের আগে ইংল্যান্ডকে বড় স্বস্তি দেন বেলিংহাম। প্রথমার্ধে ৯টি শট নিলেও আক্রমণভাগে খুব একটা আগ্রাসী দেখা যায়নি দলটিকে। বিরতিতে যেতে হয় গোলশূন্য সমতা নিয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধে নামার পর ৬২ মিনিটে বেলিংহামের গোলেই ‘ডেডলক’ ভাঙে ইংল্যান্ড। যার পাঁচ মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কেইন। শেষ পর্যন্ত দুই গোলের ব্যবধান ধরে রেখেই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড, যদিও খেলার ধরনের কারণে দর্শক সন্তুষ্টি থাকার কথা কমই।
অপর দিকে ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে ক্রোয়েশিয়া বেশ কষ্টেসৃষ্টেই জিতেছে। ৩১ মিনিটে পেতার সুচিচের গোল ক্রোয়াটদের এগিয়ে দিলেও ৭৩ মিনিটে সমতা নিয়ে আসেন ডেরিক লুকাসেন। এমন পরিস্থিতিতে গ্রুপ পয়েন্ট তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকাটা ছিল দুশ্চিন্তার।
তবে ৮৩ মিনিটেই দুশ্চিন্তা উড়িয়ে দেন নিকোলা ভ্লাসিচ। লুকা মদরিচের কর্নার থেকে পাওয়া বলে হেডে জালে জড়িয়ে ক্রোয়েশিয়াকে এনে দেন ২–১ গোলের লিড, শেষ বাঁশি পর্যন্ত যা ধরে রাখায় দলটি পেয়ে যায় তিন পয়েন্টও।








