কোনো অঘটন ছাড়াই বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশ নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া। গ্রুপ ‘এল’-এর শেষ ম্যাচে পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টমাস টুখেলের ইংল্যান্ড। অন্যদিকে ঘানার কঠিন প্রতিরোধ ভেঙে ২-১ ব্যবধানের জয়ে রানার্সআপ হিসেবে নকআউট পর্বে পা রাখল ক্রোয়াটরা। ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থ্রি লায়নরা, ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় ক্রোয়েশিয়া। আর ৪ পয়েন্ট পাওয়া ঘানাও তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা আট দলের একটি হয়ে নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্বের টিকিট।
নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে পানামার রক্ষণ ভাঙতে না পেরে বেশ ভুগছিল ইংল্যান্ড। তবে দ্বিতীয়ার্ধে জুড বেলিংহামের একক নৈপুণ্যে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। ৬২ মিনিটে কর্নার থেকে দলকে এগিয়ে নেন বেলিংহাম নিজেই। এর পাঁচ মিনিট পর তাঁর নিখুঁত অ্যাসিস্ট থেকেই হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ১১তম গোলটি করে গ্যারি লিনেকারকে ছাড়িয়ে যান তিনি; এখন কেইনই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
ফিলাডেলফিয়ায় অন্য ম্যাচে ৩১ মিনিটে পেতার সুচিচের দূরপাল্লার চমৎকার শটে লিড নিয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। প্রথমার্ধে ঘানা কোনো আক্রমণই করতে পারেনি, তবে বিরতির পর খোলস ছেড়ে বের হয় কার্লোস কুইরোজের দল। ম্যাচের ৭৩ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে ঘানাকে সমতায় ফেরান ডেরিক লুকাশেন। লাইন্সম্যান শুরুতে অফসাইডের পতাকা তুললেও প্রায় ৪ মিনিটের ভিএআর রিভিউ শেষে রেফারি গোলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। ঘানার এই স্বস্তি অবশ্য স্থায়ী হয়েছিল মাত্র দশ মিনিট। ৮৩ মিনিটে লুকা মদরিচের মাপা কর্নার থেকে নিখুঁত হেডে গোল করে ক্রোয়েশিয়ার ২-১ ব্যবধানের জয় ও নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেন নিকোলা ভ্লাসিচ।








