খুলনার জেলখানা ঘাটে ফেরির সঙ্গে সংঘর্ষে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১০টার দিকে ভৈরব নদীতে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা  ৩৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রাতে জেলখানা ঘাট থেকে ৩০-৩৫ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার সেনেরবাজারের দিকে রওনা হয়। বিপরীত দিক থেকে ফেরি খুলনার দিকে আসছিল। মাঝ নদীতে ফেরি ও ট্রলারের সংঘর্ষ হয়। এ সময় চলন্ত ফেরি বন্ধ করে দেন চালক। ধাক্কায় ট্রলারটি ডুবে যায়। যাত্রীদের উদ্ধারে স্থানীয়দের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যদের ঘটনাস্থলে দেখা যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাঝ নদীতে ফেরির সঙ্গে ট্রলারের ধাক্কা লাগে। এরপর যাত্রীরা নদীতে পড়ে যায়। স্থানীয় মাঝিরা বিষয়টি টের পেয়ে ট্রলার নিয়ে নদীতে থাকা মানুষদের উদ্ধারে ছুটে যান। কারো কোনো ক্ষতি হয়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রূপসা নৌ-ফঁড়ির ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। আমাদের সঙ্গে উদ্ধার কর্মকাণ্ডে যোগ দেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। স্থানীয় ডুবুরিদের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরাও যোগ দেন। কেউ মিসিং (নিখোঁজ) আছে বলে খবর পাওয়া যায়নি।” 

ফায়ার সার্ভিসের বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. মাসুদ সর্দার বলেন, “ডুবে যাওয়া ট্রলারে থাকা ৩৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।”

খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “ট্রলার ডুবির ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর আমাদের কাছে আসেনি।”