যুক্তরাষ্ট্রের ডজনখানেক অঙ্গরাজ্যের সঙ্গে ১৮ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা চুক্তিতে সম্মত হয়েছে মেটা। পাশাপাশি মেটা এবং অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলরা টিকটক এবং ইউটিউবকেও অনুরূপ পরিবর্তন আনার আহ্বান জানিয়েছেন। এখন পর্যন্ত হওয়া মামলাগুলোর অভ্যন্তরীণ নথিপত্র থেকে জানা গেছে, তরুণদের নিরাপত্তার বিষয়ে প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও মেটা জানত যে তাদের প্ল্যাটফর্মগুলো তরুণ ব্যবহারকারীদের জন্য কতখানি ঝুঁকিপূর্ণ। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত যে মেটা আর নিজের প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিজেই মূল্যায়ন বা যাচাই করার সুযোগ পাবে না। প্রয়োজনীয় পরিবর্তনগুলো মেটা ঠিকমতো বাস্তবায়ন করছে কি না, তা একজন স্বাধীন অডিটর পর্যবেক্ষণ করবেন। এটি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা অভিভাবক ও অনলাইন নিরাপত্তাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

কিশোর-কিশোরীদের ডিজিটাল আসক্তি ও মানসিক ক্ষতি থেকে মুক্ত রাখতে এই দ্বিমুখী পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য দুটি প্রধান বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত—কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষায় অ্যাপের ভেতরের নিয়মাবলি এবং প্রযুক্তিগতভাবে বয়স যাচাইকরণ ও আইনি বাস্তবায়ন।

১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের অ্যাপ ব্যবহারের অভ্যাসে নিয়ন্ত্রণ আনতে ও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে মেটা বেশ কিছু বড় ফিচার যুক্ত করবে। সেগুলোর মধ্যে আছে—

এই সকল নিরাপত্তা ফিচারের সঠিক প্রয়োগ ও সাফল্য নির্ভর করছে ব্যবহারকারীদের সঠিক বয়স চিহ্নিত করার ওপর।

সূত্র: সিএনএন, বিবিসি