ক্লিনিক্যাল মেডিসিনে ‘ফান্ডাস’ পরীক্ষার গুরুত্ব ও ডাইরেক্ট অপথালমোস্কোপির ব্যবহার সম্পর্কে জানাতে প্রকাশিত হয়েছে ‘দ্য ফান্ডাস ইন ক্লিনিক্যাল মেডিসিন: আ গাইড টু ডাইরেক্ট অপথালমোস্কোপি’ বই। বইটির লেখক অধ্যাপক কাজী তারিকুল ইসলাম।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডির একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি এসকেএফ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ফান্ডাস পরীক্ষা হলো চোখের ভেতরের পেছনের অংশ, বিশেষ করে রেটিনা, অপটিক ডিস্ক ও রক্তনালি পর্যবেক্ষণের একটি পদ্ধতি। অপথালমোস্কোপ নামের যন্ত্রের সাহায্যে এ পরীক্ষা করা হয়। চোখের এসব অংশের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে শুধু চোখের রোগ নয়, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের মতো বিভিন্ন সিস্টেমিক রোগের প্রভাব সম্পর্কেও চিকিৎসকেরা ধারণা পেতে পারেন। এ কারণে রোগী মূল্যায়নে ফান্ডাস পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।

আয়োজকেরা জানান, বইটিতে চিকিৎসকদের দৈনন্দিন ক্লিনিক্যাল চর্চায় ডাইরেক্ট অপথালমোস্কোপির ব্যবহারিক দিক তুলে ধরা হয়েছে। ক্লিনিক্যাল মেডিসিনের সঙ্গে ফান্ডাস পরীক্ষার সম্পর্ক এবং রোগী মূল্যায়নে এ পরীক্ষার ব্যবহারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বইটির লেখক অধ্যাপক কাজী তারিকুল ইসলাম মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক। তিনি মনে করেন মেডিসিনের চিকিৎসক, প্রশিক্ষণরত চিকিৎসক এবং ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে যুক্ত অন্যদের জন্য বইটি একটি ব্যবহারিক গাইড হিসেবে কাজে আসবে।

অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এসকেএফের মার্কেটিং অ্যান্ড সেলসের পরিচালক বিনয় দাস। তিনি বইটির লেখকসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত চিকিৎসক, অতিথি ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। চিকিৎসকদের জ্ঞান ও ক্লিনিক্যাল দক্ষতা বাড়াতে এ ধরনের বৈজ্ঞানিক ও শিক্ষামূলক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, চিকিৎসকদের জন্য কার্যকর ও প্রাসঙ্গিক বৈজ্ঞানিক জ্ঞান বিনিময়ে এসকেএফ ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে।

অনুষ্ঠানে ব্র্যান্ড পার্টনার হিসেবে ছিল এমাজিড এল। এটি এমপাগ্লিফ্লোজিন আইএনএন ও লিনাগ্লিপটিন আইএনএনের সমন্বয়ে তৈরি একটি ওষুধ।