সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম খানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সিলেটের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। বুধবার যুগান্তর পত্রিকার প্রিন্ট ও অনলাইনে পুলিশ চেকপোস্ট যেন ওসি শফিকুলের ‘টোল প্লাজা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর শফিকুলকে প্রত্যাহার করা হয়।

পরিবহণসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং স্থানীয়দের অভিযোগ-কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ গেইটের সামনে থাকা ভোলাগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কে স্থাপিত পুলিশ চেকপোস্ট হলেও বাস্তবে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খানের একটি অঘোষিত ‘টোল প্লাজা’। যুগান্তরের প্রতিবেদনে পুলিশ চেকপোস্টে ঘুস ও উপজেলায় ‘চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য’ গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন অপকর্মের কথা উঠে আসে। যদিও অভিযোগগুলো অস্বীকার করে ওসি শফিকুল বলেছিলেন, চেকপোস্টে নিয়মিত পুলিশ ডিউটি করে। সেখানে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে প্রশাসন সার্বক্ষণিক মনিটরিং করে। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর বিষয়ে আমার জানা নেই। তখন পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক বলেছিলেন, এ ধরনের তথ্য প্রমাণ থাকলে দিতে পারেন।

তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওসি শফিকুলকে প্রত্যাহারের বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন ড. যাবের সাদেক।