মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে শফিউল আলম বাবু (৪২) নামে এক যুবদল নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে থানা ঘেরাও করে মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরে আটক নেতাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

‎আজ সোমবার বিকেলে সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গতকাল রোববার (১২ জুলাই) সন্ধ্যার পর উপজেলা গেটের একটি দোকান থেকে যুবদল নেতা বাবুকে আটক করা হয়।

‎আটক শফিউল আলম বাবু সুজানগর পৌরসভার চর মানিকদীর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্বে আছেন। এছাড়াও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

‎পুলিশ জানায়, রোববার সন্ধ্যার দিকে উপজেলা গেটসংলগ্ন একটি দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে থানা ঘেরাও করে রাত ৯টা পর্যন্ত বিক্ষোভ ও তাকে মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ সভা করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

‎পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, আটক ব্যক্তির বিক্ষোভকারীদের সামনে ডোপ টেস্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হলে পরিবারের সদস্যরা এতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বিক্ষোভকারী নেতাকর্মীরা থানা এলাকা ছেড়ে চলে যান। এরপর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে শফিউল আলম বাবুকে আদালতে পাঠানো হয়।

‎এবিষয়ে আটক যুবদল নেতার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কারও বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, মাদক-সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগে শফিউল আলম বাবুকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ডোপ টেষ্ট শেষে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে পাবনা জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াস আহমেদ হিমেল রানা বলেন, কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায় যুবদল নেবে না। আমরা নিজেরাই মাদকমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছি। কেউ যদি মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকে তাহলে পুলিশ তার গতিত চলবে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আমরা পুলিশকে সহযোগিতা করব।