দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরিতে শ্রমিকরা কাজে রাজি না হওয়ায় মাদারগঞ্জে দুটি খাল খনন কর্মসূচি অসমাপ্ত রেখে বরাদ্দের ৫০ ভাগ টাকা ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে ননওয়েজ কস্টের ৫০ ভাগ টাকায় ভেকু মেশিন (এক্সকেভেটর) দিয়ে অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাজ উদ্দিন। জানা গেছে, কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের পলিশা খাল খনন কাজের জন্য এক কোটি ২৭ লাখ ৪৪ হাজার ৭১০ টাক ও চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া খাল খননের জন্য এক কোটি ১৫ লাখ নয় হাজার ৮৩০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজ দুটি উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত ও জামালপুর-৩ আসনের সংসদ-সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। টুকরিতে করে নিজে মাথায় মাটি নিয়ে এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল তেঘরিয়া খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেছেন; কিন্তু শ্রমিকরা ৫০০ টাকা মজুরিতে কাজ না করায় টাকা ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাজ উদ্দিন। তিনি জানান, কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় খাল খনন কাজের শ্রমিকদের জন্য দৈনিক মজুরি ধরা আছে ৫০০ টাকা। কিন্তু এখন ৫০০ টাকা মজুরিতে মাটি কাটার শ্রমিক পাওয়া যায় না। শ্রমিকদের মজুরির টাকা ফেরত দিয়ে খাল খনন কাজ কীভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে-এমন প্রশ্নের জবাবে পিআইও তাজ উদ্দিন জানান, প্রকল্প কমিটি পুরো কাজের জন্য বরাদ্দের ৫০ ভাগ টাকা ননওয়েজ কস্টের আওতায় নিয়ে ভেকু মেশিন দিয়ে কাজ করিয়েছে। দুটি প্রকল্পের বাকি ৫০ ভাগ কাজ কীভাবে করা হয়েছে জানতে চাইলে পিআইও জানান, ভেকু মেশিন দিয়ে পলিশা খাল খননের ৭৮ ভাগ ও তেঘরিয়া খাল খননের ৭৯ ভাগ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভেকু মেশিন দিয়ে কাজে খরচ কম হয়, সেজন্য অধিকাংশ কাজই ননওয়েজ কস্টের টাকা দিয়ে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কাজ সম্পন্নের জন্য ফেরত পাঠানো শ্রমিকদের ৫০ ভাগ টাকা খাল দুটি মেরামতের জন্য পুনরায় বরাদ্দ চাওয়া হবে। বরাদ্দ পেলে দুটি খালেরই বাকি কাজ শেষ করা হবে।