ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে ভারতের সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার একদিন পর রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবন অভিমুখে পদযাত্রা করেছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে তারা এই পদযাত্রা করেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি অনলাইন।
সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সময় বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশ এবং র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। নিট এবং অন্যান্য পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত দলটি জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর এই পদক্ষেপে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং তাদের শরীর থেকে রক্ত ঝরেছে।
অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ‘অবাধ্য, আক্রমণাত্মক ও হিংসাত্মক আচরণ’ প্রদর্শনের অভিযোগ করেছে শিক্ষার্থীদের হামলায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১১৮ জন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার এক্স-এ লোকসভার বিরোধী দলের নেত রাহুল গান্ধী বলেছেন, কংগ্রেসের বিক্ষোভের উদ্দেশ্য ছিল বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ‘বর্বরতার’ জন্য সরকারের কাছ থেকে জবাবদিহি চাওয়া। সিজেপি থেকে আরও এক ধাপ এগিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেন।
তিনি লিখেছেন, “গতকাল তরুণ ছাত্রদের ওপর হওয়া নৃশংসতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি চাইতে আমরা তার বাসভবনের দিকে মিছিল করেছি। সরকার কোনো দায় নিতে চায় না, কিংবা সংসদে এ নিয়ে কোনো বিতর্কও করতে চায় না। ভারতের যুবকদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।”
কংগ্রেসের এই বিক্ষোভে অপ্রস্তুত হয়ে পড়া দিল্লি পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠায় এবং বিক্ষোভকারীদের আটক শুরু করেছে। বিজেপি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলার অভিযোগ করেছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে উপস্থিত কংগ্রেস নেতারা জোর দিয়ে বলেছেন যে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
কংগ্রেস সংসদ সদস্য মণিকম ঠাকুর বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সংসদে নেই। গতকালও তিনি খুব অল্প সময়ের মধ্যে সংসদ ছেড়ে চলে গেছেন। আমাদের কথা শোনাতে আমরা কোথায় যাব? বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।”








