নাচোলে আইন অমান্য করে সরকারি পুকুর ভরাট করে একের পর এক পাকা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে, অথচ এই বিশাল অনিয়ম চোখের সামনে ঘটলেও সম্পূর্ণ নির্বিকার ভূমিকা পালন করছেন স্থানীয় সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড সুলতানা রাজিয়া। প্রশাসনের এমন রহস্যজনক নীরবতায় ক্ষোভে ফুসে উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা এবং দেশের প্রচলিত জলাধার সংরক্ষণ আইন (২০০০) অনুযায়ী, কোনো অবস্থাতেই প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বা সরকারি মালিকানাধীন পুকুর, ডোবা বা জলাশয় ভরাট করা দণ্ডনীয় অপরাধ। অথচ নাচোল উপজেলার ৩নং ইউপির ইটলা মৌজার ৩৯৫নং দাগের কাটাকুড়ি এলাকায় অবস্থিত সরকারি খাস পুকুরটি কয়েক মাস ধরে রাতের আঁধারে এবং কখনো প্রকাশ্য দিবালোকেই পুকুরটির অর্ধেকের বেশি অংশ বালু দিয়ে ভরাট করে জনৈক মংলু নামের এক ব্যক্তি। সেখানে আরসিসি পিলার তুলে বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, পুকুর ভরাটের বিষয়টি শুরুতেই মৌখিকভাবে স্থানীয় ভূমি অফিস ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু রহস্যজনক কারণে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়া কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। স্থানীয় এক বাসিন্দা রহিম মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি সম্পত্তি এভাবে গিলে খাচ্ছে প্রভাবশালীরা, আর এসিল্যান্ড স্যার এসি রুমে বসে আছেন। তারা যদি সময়মতো অ্যাকশন নিতেন, তবে আজ সরকারি পুকুরগুলো এভাবে হারিয়ে যেত না।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন এসব বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








