ভোলার লালমোহনে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতিনিধির সই জাল, ভুয়া চিঠি তৈরি, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন এবং ফলাফল শিট তৈরির মাধ্যমে অবৈধভাবে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে একজনকে এমপিওভুক্ত করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে এক মাদরাসার অধ্যক্ষের এমপিও সাময়িকভাবে স্থাগিত করেছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
অভিযুক্ত অধ্যক্ষের নাম মোস্তফা কামাল উদ্দিন জাফরী। তিনি ভোলার লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের মুসলিমিয়া আলিম সিনিয়র মাদরাসার অধ্যক্ষ।
সোমবার (২৯ জুন) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে প্রকাশিত এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওই চিঠিতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জালিয়াতির বিবরণ উল্লেখ করা হয়।
চিঠি সূত্রে জানা গেছে, লালমোহনের ফরাজগঞ্জ মুসলিমিয়া আলিম সিনিয়র মাদরাসার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে শাকিল নামের একজনের নাম নতুন এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেন অধ্যক্ষ। তবে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি ওই আবেদনটি যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে দেখে, এ নিয়োগের ক্ষেত্রে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধির জাল চিঠি, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড এবং ভুয়া ফলাফল বিবরণী তৈরি করা হয়েছে। এমনকি অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতিনিধির সইও জাল করা হয়েছে। এ জালিয়াতি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল উদ্দিন জাফরীর বেতন ভাতা (এমপিও) সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। এ অপরাধে কেন তার এমপিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, তার যথাযথ জবাব দিতেও বলা হয়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে মুসলিমিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল উদ্দিন জাফরী বলেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের চিঠির বিষয়টি তিনি চ্যালেঞ্জ করবেন।
লালমোহন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মীর একেএম খায়রুল কবির বলেন, এমপিও স্থগিতের বিষয়টি শুনেছি। কিন্তু এখনো কোনো চিঠি পাইনি।
জুয়েল সাহা বিকাশ/এসআর/এমএস








