পদ্মা অয়েলের এক অস্থায়ী কর্মচারিকে কোন কারণ ছাড়া বরখাস্তের প্রতিবাদে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধর্মঘট পালন করেছেন অস্থায়ী ফুয়েল এটেনডেন্টরা। রোববার দুপুরের এ কর্মসূচিতে দেশি-বিদেশি বিমানে ফুয়েল দেওয়ার সংকট তৈরি হয়। পরে বরখাস্ত কর্মচারিকে কাজে ফিরিয়ে নিলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
জানা গেছে, ঢাকা বিমান বন্দরে তিন শিফটে দেশি বিদেশি বিমানে জেট ফুয়েল লোড করেন ৪৮ জন কর্মচারি। এরমধ্যে অতিসম্প্রতি স্থানীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ১৬জনকে। এ জন্য ১ নভেম্বর লিখিত পরীক্ষা নেয়া হয় চট্টগ্রামে। অভিযোগ আছে ওই পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফুয়েল এটেনডেন্ট নিয়োগে ৩ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে যারা অস্থায়ী ভিত্তিতে ৭ থেকে ২২ বছর ধরে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন, তাদের কাউকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। নিয়োগ দেওয়া হয়েছে পেট্রল পাম্পের ফুয়েল এটেনডেন্ট এবং বিভিন্ন ফ্যাক্টরির ফুয়েল প্রসেসের সঙ্গে জড়িতদের। আবার অনেকে ভুয়া বা মিথ্যা অভিজ্ঞতা সার্টিফিকেট দিয়ে ওই নিয়োগ পেয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছিলেন অস্থায়ী ফুয়েল এটেনডেন্টরা। এতে ক্ষিপ্ত হন পদ্মা অয়েলের কর্মকর্তারা। এ প্রেক্ষিতে রোববার সকালে অস্থায়ী কর্মচারি ইশহাক হোসেন শাহীনের আইডি কার্ড কেড়ে নেন। শাহীন সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে নিজের অধিকার নিয়ে কথা বলেছিলেন। এ অপর াধে তাকে সকালে বিমান বন্দরে ঢুকতে দেননি পদ্মার দায়িত্বরত এজিএম। এর প্রতিবাদে দুপুর ২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত ধর্মঘটের ডাক দেন অন্য অস্থায়ী কর্মচারিরা। এ সময় ফুয়েল লোড অনেকটা অচল হয়ে যায়। পরে শাহীনকে কাজে ফিরিয়ে নিলে ওই ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়। আন্দোলনকারীরা জানান, শিগগির তাদের চাকুরি স্থায়ী না করলে বৃহত্তর আন্দোলন করে বিমান বন্দর অচল করে দেয়া হবে।








