চট্টগ্রামে বর্ষা শুধু স্বস্তির বৃষ্টি হয়ে আসে না, সঙ্গে নিয়ে আসে আতঙ্কও। টানা কয়েক দিনের বর্ষণে নগরের সড়ক, ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও অফিস ডুবে গেছে পানিতে। কোথাও মানুষ কোমরসমান পানি ঠেলে কাজে যাচ্ছেন, কোথাও দোকানের ভেতরে পানি উঠলেও থেমে নেই জীবিকার সংগ্রাম। এরই মধ্যে পাহাড়ধসে মঙ্গল ও বুধবার চট্টগ্রাম নগরসহ বিভিন্ন এলাকায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বারবার সতর্কতা, মাইকিং আর প্রশাসনের আহ্বানের পরও আকবরশাহ, একে খান, আইডব্লিউ পাহাড় ও মুক্তিযোদ্ধা পাহাড়ের পাদদেশে রয়ে গেছেন বহু মানুষ। নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব, দারিদ্র্য আর জীবিকার টানে মৃত্যুঝুঁকিকেই যেন সঙ্গী করে বেঁচে আছেন তাঁরা। জলাবদ্ধতা আর পাহাড়ধসের দ্বিমুখী বিপদের এই চিত্রই ধরা পড়েছে চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে।

ঘরের ভেতরও ঢুকে পড়েছে পানি। ছোট্ট একটি কক্ষে জলাবদ্ধতার সঙ্গে লড়াই করছে একটি পরিবার
প্রয়োজনের তাগিদে হাঁটুপানি মাড়িয়েই চলাচল করছেন নগরবাসী
চারদিকে পানি, তবু থেমে নেই জীবন। দোকানের ভেতরে জমে থাকা পানির মধ্যেই দুপুরের খাবার খাচ্ছেন এক ব্যক্তি
ঘরে ঢুকে পড়া পানি পাত্রে তুলে বাইরে ফেলছেন একজন। বৃষ্টির সঙ্গে চলছে টিকে থাকার লড়াই
মুক্তিযোদ্ধা পাহাড় এলাকায় পাহাড়ধসে নিহত ১৩ বছর বয়সী সামিয়া ইসলামের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশ
এই ঘরের ওপর পাহাড় ধসে পড়ে প্রাণ হারায় সামিয়া ইসলাম। মুহূর্তেই ভেঙে যায় একটি পরিবারের স্বপ্ন
প্রাণহানির ঘটনার পরও একে খান পাহাড় এলাকায় ঝুঁকি নিয়েই বসবাস করছেন অনেক মানুষ
পাহাড়ধসের আশঙ্কা রয়েই গেছে। তবু পাহাড়ের পাদদেশ ছেড়ে যাওয়ার সুযোগ বা সামর্থ্য নেই অনেক পরিবারের। ছবিটি একে খান পাহাড় এলাকা থেকে তোলা