আজকের পত্রিকার প্রধান খবর— তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে নতুন ধারণা।
এই খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে সংসদের উচ্চকক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টাদের নিয়োগের সুপারিশ এসেছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে।
এছাড়া, সরকারি দল ও বিরোধী দলের সম্মতিতে সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হলে তাকেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদে গতকাল শনিবার সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনের অধ্যাপক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেছেন, উচ্চকক্ষ গঠিত হলে এবং সংসদ বিলুপ্ত হওয়ার পরও উচ্চকক্ষ বহাল থাকলে, সেখান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া রাখা যায় কি না, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
উচ্চকক্ষে উপরাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি করে তাকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাবও এসেছে। বিকল্প হিসেবে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সম্মতিতে স্পিকার নির্বাচিত হলে তাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করা যায় কি না, সেই ধারণাও দিয়েছেন কেউ কেউ।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অন্য উপদেষ্টাদেরও দুই দলের সম্মতিতে উচ্চকক্ষ থেকে নিয়োগের বিধান রাখার প্রস্তাব এসেছে।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:
স্থানীয় নির্বাচনে জোট করতে শরিকদের চাপে জামায়াত— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।
End of সর্বাধিক পঠিত
এই খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের কৌশল নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।
জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করতে চায়, কিন্তু জোটের কয়েকটি শরিক দল চায় জোটবদ্ধভাবে অংশ নিতে।
এ নিয়ে সমঝোতা না হলে শরিকদের কেউ কেউ বিকল্প জোটে নির্বাচনের কথা ভাবছে। তাতে ১১ দলীয় ঐক্যে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জোটের কয়েকটি শরিক দলের যুক্তি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতা এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার পর স্থানীয় নির্বাচনে সমন্বয় করা না হলে ঐক্যের রাজনৈতিক গুরুত্ব কমে যাবে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচনে কেন্দ্রীয়ভাবে জোট করার সিদ্ধান্ত নেই। তবে কোনো জেলা, উপজেলা বা এলাকায় শরিক দলগুলো নিজেরা আলোচনা করে একক প্রার্থী ঠিক করলে কেন্দ্র থেকে বাধা দেওয়া হবে না।
রাজনীতিতে অভিনব জোট, কৌতূহল— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, সাতটি ইসলামী দল 'সমমনা ইসলামী দল' নামে জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের ভেতরে থাকা কয়েকটি দল এই নতুন জোটে যুক্ত হয়েছে।
জোটের ভেতরে এমন জোট গঠনের তৎপরতায় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
ফলে রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের আভাস মিলছে।
এই ঐক্যে থাকা কওমি ঘরানার কয়েকটি ইসলামি দলকে নিয়ে পৃথক জোট গঠনের উদ্যোগ ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা, হিসাবনিকাশ।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের শীর্ষ নেতাদের অনেকে এই নতুন জোট গঠনের নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
৭ দলীয় সূত্র জানিয়েছে, যারা 'সমমনা ইসলামী দল' এই ঐক্যে থাকবেন, তারা অন্য কোনো জোট বা রাজনৈতিক বলয়ে থাকতে পারবেন না।
তবে, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের সঙ্গে থাকা ইসলামী দলগুলো চলমান কর্মসূচি চালিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান খবর— Padma Bank fails depositors, but pays Tk60 lakh monthly rent to ex-chairman Nafeez; অর্থাৎ আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হলেও সাবেক চেয়ারম্যান নাফীজকে প্রতি মাসে ৬০ লাখ টাকা ভাড়া দিচ্ছে পদ্মা ব্যাংক।
এই খবরে বলা হয়েছে, হাজার হাজার আমানতকারী তাদের জমানো অর্থ পদ্মা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করতে না পারার সম্মুখীন হয়েছেন। অনেকে মেয়াদ পূর্তির কয়েক বছর পরও তাদের সঞ্চয় স্কিমের টাকা পাচ্ছেন না। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ এই ব্যাংকে ব্যক্তিগত আমানতকারীদের ৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ জমা ছিল।
তবে পদ্মা ব্যাংক এখনো গুলশান-২-এর 'ফাইন্যান্স স্কয়ার' ভবনের জন্য প্রতি মাসে ৬০ লাখ টাকা ভাড়া দিচ্ছে। এই ভবনটির সাথে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফীজ সারাফাতের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
তার ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, অর্থপাচারে অভিযুক্ত চৌধুরী নাফীজ সারাফাত চব্বিশের অগাস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই বিদেশে অবস্থান করছেন ।
তিনি যখন চেয়ারম্যান ছিলেন এবং ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা যখন দ্রুত খারাপের দিকে যাচ্ছিল, তখনই ২০২২ সালে ব্যাংকটি তাদের প্রধান কার্যালয় এই ভবনে স্থানান্তর করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সময়ে এই লেনদেনটি অনুমোদন পেয়েছিল।
অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) তদন্ত অনুযায়ী, ব্যাংকটি অগ্রিম ভাড়া হিসেবে ১৪ কোটি টাকাও পরিশোধ করেছে। তবে সিআইডি তাদের তদন্তে গুরুতর স্বার্থের সংঘাতের বিষয়টি চিহ্নিত করেছে।
দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম— প্রথার বৃত্তে বন্দি জামিনের হিসাব।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধস্তন আদালতে ফাঁসির রায়ের পর কনডেমড সেলে থাকা ফাঁসির আসামিদের প্রায় কেউই জামিনের আবেদন করেন না।
আবেদন করলেও নিশ্চিতভাবেই তা খারিজ হবে কিংবা হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ শুনতে অপারগতা প্রকাশ করবে, এমনটি ধরে নিয়ে কেউ আবেদন করেন না এবং এ বিষয়টি অলিখিত প্রথার মতো বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অধস্তন আদালতে ফাঁসির রায়ের পর কমপক্ষে ৬ বছরের মধ্যে ডেথ রেফারেন্স মামলার শুনানি শুরু হয় না এবং সর্বোচ্চ ২৪ বছর পর্যন্ত মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার নজিরও আছে।
আর এ সময় পর্যন্ত ফাঁসির আসামিকে থাকতে হয় 'কারাগারের ভেতর কারাগার' বলে পরিচিত কনডেমড সেলে।
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশের কেন্দ্রীয় ও জেলা কারাগারগুলোর কনডেমড সেলগুলোতে ২ হাজার ৪৮২ ফাঁসির আসামি রয়েছেন।
এর মধ্যে নারী আসামি আছেন ৭০ জন। এসব আসামির মধ্যে কমপক্ষে ৫ বছর থেকে ১৫ বছর বা এর বেশি সময় বন্দি আছেন ৬৩৭ ফাঁসির আসামি।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— বাংলাদেশে শ্রমশক্তি সবচেয়ে বেশি কৃষিতে, উৎপাদনশীলতায় দক্ষিণ এশিয়ায় সবার নিচে।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে কৃষির সঙ্গে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে জড়িয়ে আছে ৩ কোটি ৮ লাখ মানুষ। মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪৫ শতাংশ বর্তমানে কৃষি খাতে নিয়োজিত।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে কৃষি খাতে নিয়োজিত শ্রমশক্তির হার বেশি হলেও কৃষি শ্রমিকপ্রতি উৎপাদনশীলতায় বাংলাদেশ অন্যদের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে।
কৃষি অর্থনীতিবিদরা বলছেন, উৎপাদনশীলতায় দেশের কৃষি শ্রমিকদের পিছিয়ে পড়ার মূল কারণ এ খাতে প্রযুক্তির সীমিত ব্যবহার।
এছাড়া, কৃষকের প্রযুক্তিগত জ্ঞান-দক্ষতার অভাব এবং সে দক্ষতা বৃদ্ধিতে কম বিনিয়োগ পরিস্থিতিকে আরো তীব্র করছে।
বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে দেশের কৃষি খাতে নিয়োজিত শ্রমশক্তির এ সীমাবদ্ধতার বিষয়টি উঠে এসেছে।
সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশে খণ্ডিত জমি, উন্নত বীজ ও কৃষিপ্রযুক্তির সীমিত ব্যবহার, কৃষকের বাজারে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা, কৃষিপণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণাগার সংকট ও বিপণন অবকাঠামো ঘাটতির মতো সমস্যা রয়েছে।
এছাড়া, ধাননির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা কৃষি খাতে আয় ও বৈচিত্র্য বৃদ্ধিতে সহায়ক হচ্ছে না।
নিউ এইজের প্রধান খবর— Over 400 drivers killed for battery rickshaws in seven years; অর্থাৎ সাত বছরে ব্যাটারিচালিত রিকশার চারশোর বেশি চালককে হত্যা।
এই খবরে বলা হয়েছে, ২০২০ সাল থেকে চলতি বছরের ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে ছিনতাইকারীদের হাতে মোট ৪০৪ জন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দৈনিকটির পর্যালোচনা অনুযায়ী এ তথ্য ওঠে এসেছে। তবে পুলিশের ভাষ্যমতে, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়া ছিনতাইকারীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে চুরি হওয়া অটোরিকশার একটি বড় বাজার রয়েছে, যার ফলে এ ধরনের ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ড একটি নিয়মিত অপরাধে পরিণত হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডগুলোর ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অপরাধীরা প্রায়ই যাত্রী সেজে চালকদের নির্জন স্থানে নিয়ে যায়, এরপর তাদের হত্যা করে যানবাহনটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
অধিকাংশ ঘটনাই ঘটে গভীর রাতে। এসব অপরাধের নেপথ্যে চুরি হওয়া যানবাহন ও ব্যাটারি কেনাবেচায় জড়িত সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে।
কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম— এশিয়ায় বাণিজ্য বাড়ছে পিছিয়ে বাংলাদেশ।
খবরটিতে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক পরিবর্তনের ডামাডোলে ক্রমেই এশিয়া হয়ে উঠছে বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্র।
এশিয়ার বৃহৎ অর্থনীতিগুলো বিশেষ করে চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো অর্থনীতিকে ঘিরে বাড়ছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির আদান-প্রদান। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শিল্পোৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সংযোগও গভীর হচ্ছে।
এর বিপরীতে এশিয়ার বড় বাজারগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি এখনো সীমিত।
তৈরি পোশাকের ওপর অতিনির্ভরতা এবং আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে দুর্বল সংযোগের কারণে সুযোগ হারাচ্ছে বাংলাদেশ।
২০২৬ সালের প্রথম ৯ মাসে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার (এপেক) অন্য সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে চীনের বাণিজ্য বেড়েছে ২৩.৯ শতাংশ। একই সময়ে উচ্চ প্রযুক্তিপণ্যের বাণিজ্য বেড়েছে ৫০.৩ শতাংশ।
অথচ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে গত আট মাসে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে ১১.৬৭ শতাংশ।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি সাড়ে ৬ শতাংশ কমেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থান হারিয়েছে বাংলাদেশ।
বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তার মধ্যে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এশিয়ার বাজারে সম্প্রসারণকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
End of বিবিসি বাংলার আরও সংবাদ:
৬ লাখ কোটি টাকার বোঝা: আয় ফেরাতে ব্যাংকের নতুন লড়াই— নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের ব্যাংকিং খাত আয়ের সঙ্কটে পড়েছে। কার্যক্রম থেকে মুনাফা হলেও প্রভিশন ঘাটতি ও খেলাপি ঋণের চাপে খাতটি এখন নিট লোকসানে।
প্রতি তিন মাস অন্তর বাড়ছে খেলাপি ঋণ। ছয় লাখ কোটি টাকার বেশি শ্রেণিকৃত ঋণ ব্যাংকিং খাতের আয়ের পথ আটকে রেখেছে।
এখন আইন বদল, ঋণ আদায়ের নতুন কাঠামো আর কড়া তদারকি দিয়ে সেই বোঝা নামানোর চেষ্টা চলছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ শেষে ব্যাংক খাতের পরিচালন মুনাফা ছিল ৭৮৯ কোটি টাকা। কিন্তু নিট ক্ষতি দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৪১৭ কোটি টাকায়।
সম্পদ থেকে প্রাপ্তি (আরওএ) ঋণাত্মক ১.০৩ শতাংশ, আর মূলধনের ওপর প্রতিদান (আরওই) ঋণাত্মক ৪৪.২২ শতাংশ।
২২টি ব্যাংক পুঞ্জীভূত লোকসানে চলছে, যার মোট পরিমাণ ২ লাখ ৫৩ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা।
প্রথম আলোর প্রধান খবর— সাইবার ঝুঁকি বিশ্বজুড়ে, প্রভাব বাংলাদেশেও।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে মাসে প্রায় তিন লাখ মানুষ অনলাইনে জমির নামজারি বা মিউটেশন সেবা নেন। নামজারি সেবা দিতে করা সরকারের ওয়েবসাইট ল্যান্ডডটগভডটবিডি গতকাল শনিবার গতকাল বন্ধ ছিল।
এতে প্রবেশ করলে বলা আছে, বিজিডি ই-গভ সার্টের জরুরি সাইবার সতর্কবার্তার অংশ হিসেবে ওয়েবসাইট হালনাগাদ করা হচ্ছে। এ কারণে ভূমিসেবা বন্ধ।
সরকারের সাইবার নিরাপত্তা দেখভালের দায়িত্বে থাকা সংস্থা
বিজিডি ই-গভ সার্ট সূত্র জানিয়েছে, এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল বিশ্বজুড়ে পিএইচপির নিরাপত্তা ত্রুটি ধরা পড়ায়।
নিরাপত্তায় এই ত্রুটির কারণে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট বন্ধের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশেও বেশ কিছু ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে।
তার মধ্যে ভূমিসেবার ওয়েবসাইট ছাড়াও রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারি ও বেসরকারি কয়েকটি ব্যাংক, বেসরকারি হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।
ওয়েবসাইট বন্ধ রেখে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিরাপত্তাব্যবস্থা উন্নত করছে।
তবে সার্ট সূত্র জানিয়েছে, তারা অন্তত একটি হাসপাতালের ওয়েবসাইট আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পেয়েছে।
অন্যদিকে, কোনো প্রতিষ্ঠানই পিএইচপিতে ত্রুটির কারণে ওয়েবসাইট বন্ধ রাখার বিষয়টি স্বীকার করছে না। ফলে জানা যাচ্ছে না যে বাংলাদেশে কত প্রতিষ্ঠান বিপাকে রয়েছে।
ছবির কপিরাইট
© 2026 বিবিসি। বাইরের কোন সাইটের তথ্যের জন্য বিবিসি দায়বদ্ধ নয়। বাইরের লিংক সম্পর্কে বিবিসির দৃষ্টিভঙ্গি সম্বন্ধে পড়ুন।







