উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে রোববার (৫ জুলাই) সকাল থেকে পটুয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে মুষলধারে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে শনিবার (৪ জুলাই) দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলে হয়, দেশের সমুদ্র বন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই পটুয়াখালীর পায়রা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকতে দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছধরা ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আজ রোববার (৫ জুলাই) দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের নদী বন্দরকে ০১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
কলাপাড়া পৌর শহরের রিকশাচালক মোসলেম উদ্দিন বলেন, ‘‘দুই দিন ধরে আমাদের এলাকায় থেমে থেমে কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি, কখনো মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। আজ রোববার সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘এ কারণে সকাল থেকে বাজারে মানুষের আনাগোনা কম। তাই বসে বসে অলস সময় পার করছি।’’
পটুয়াখাীর মহিপুরের এফবি থ্রি স্টার ট্রলারের মাঝি শামসুদ্দিন মোবাইল ফোনে বলেন, ‘‘সাগর উত্তাল। ঝড়ো বাতাস বইছে। সাগরের টিকতে না পেরে খাপরাভাঙ্গা নদীতে আশ্রয় নিয়েছি। এমনিতেই সাগরে তেমন মাছ পাচ্ছি না, তার উপর এভাবে আবহাওয়া খারাপ।’’
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী বলেন, উপকূলে বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে। সেইসঙ্গে ঝড়ো বা দমকা হাওয়া বই যেতে পারে।








