৭২...।

গোলের এই সংখ্যাটা হয়তো আরও বাড়বে। এরই মধ্যে হ্যারি কেইন এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় ছাড়িয়ে গেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে। সামনে শুধুই একজন—লিওনেল মেসি।

২০১১-১২ মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি এক মৌসুমে ৬৯ ম্যাচে করেছিলেন ৯১ গোল। সে হিসাবে কেইনের ইংল্যান্ড জাতীয় দল সতীর্থ অ্যান্থনি গর্ডন কথাটা খারাপ বলেননি।

গতকাল রাতে বিশ্বকাপে শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে জয়ের পর কেইনের প্রশংসা করতে গিয়ে গর্ডন বলেছেন, ‘কেইন এমন এক মৌসুম কাটাচ্ছে, যা শুধু সর্বকালের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসিই ছাড়িয়ে যেতে পেরেছেন। এ থেকেই বোঝা যায়, তিনি কতটা উঁচু স্তরের ফুটবল খেলছেন।’

এক ছবিতে দুই দলের ভিন্ন আবেগ

কেইন অবশ্য কাল যা করেছেন, তাতে এমন প্রশংসাই প্রাপ্য। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে শেষ ১৫ মিনিটে ২ গোল করে ইংল্যান্ডকে শেষ ষোলোতে তুলেছেন ইংলিশ অধিনায়ক। ৮৬ মিনিটে তাঁর করা জয়সূচক গোলটি তো ছিল অসাধারণ।

এই গোল নিয়ে গর্ডন বলেছেন, ‘কেইন শটটি নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি জানতাম এটি গোল হতে যাচ্ছে। আমি তখনই উদ্‌যাপন শুরু করে দিয়েছিলাম। এই স্তরের যেকোনো খেলোয়াড়ই বল টপ কর্নারে পাঠিয়ে ভালো গোল করতে পারেন। কিন্তু কেইন কাজটি নিয়মিত করেন, এটাই বড় বিষয়।’

মেসি শাস্তি পাননি, বালোগান কেন পেলেন—লাল কার্ড নিয়ে প্রশ্ন

জোড়া গোলের পথে বিশ্বকাপে গোলসংখ্যায় পেলেকে ছাড়িয়ে গেছেন কেইন। পেলের ১২ গোল ছাপিয়ে ইংলিশ অধিনায়কের গোল ১৩টি। এবারের আসরেও যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতাও কেইন। আর্লিং হলান্ডের মতো তাঁর গোলও ৫টি। ৬টি করে নিয়ে শীর্ষে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে।

চলতি মৌসুমে কেইনের ৭২ গোল এসেছে মাত্র ৬২ ম্যাচে। বায়ার্নের হয়ে গোল করেছেন ৬১টি, বাকি ১১টি ইংল্যান্ডের হয়ে। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ইংল্যান্ডের জার্সিতে কেইনের এমন ফর্ম—সব মিলিয়ে তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুমই এটি।

সেনেগালের বিপক্ষে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত কি সঠিক ছিল