যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগুনকে লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি দিয়ে শেষ ষোলোর ম্যাচে খেলার অনুমতি দেওয়ায় ফিফার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বেলজিয়াম। ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে একদিকে যেমন বেলজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (আরবিএফএ) কঠোর বিবৃতি দিয়েছে, অন্যদিকে জাতীয় দলের কোচ রুডি গার্সিয়াও তীব্র সমালোচনা করেছেন এই সিদ্ধান্তের।
আরবিএফএর দাবি, ফিফার এই সিদ্ধান্ত বিশ্বকাপের প্রচলিত নিয়মের পরিপন্থী। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড় ফোলারিন বালোগুনকে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও খেলার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তে আমরা বিস্মিত।’
বেলজিয়ামের মতে, ফিফা শৃঙ্খলা বিধির ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ দেখিয়ে সিদ্ধান্ত নিলেও একই বিধির ৬৬.৪ অনুচ্ছেদে স্পষ্ট বলা আছে, লাল কার্ড দেখলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দলের পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকতে হবে। এছাড়া ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রতিযোগিতা বিধির ১০.৫ অনুচ্ছেদেও একই নিয়ম উল্লেখ রয়েছে।
ফেডারেশন আরও জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারী সব দলের ন্যায্য অধিকার ও ফেয়ার প্লের নীতি রক্ষায় তারা সম্ভাব্য সব আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ বিবেচনা করছে।
এদিকে ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, ‘আমি জানতাম না বিশ্বকাপে ৫ জুলাই নাকি ১ এপ্রিল (এপ্রিল ফুল)।’
এরপর তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা শুধু জাতীয় দল বা ফেডারেশনকে রক্ষা করছি না, আমরা ফুটবলকেই রক্ষা করছি।’
বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর। তিনি বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে ‘বড় একটি অন্যায়ের সংশোধন’ বলে ফিফাকে ধন্যবাদ জানান।
সব মিলিয়ে বালোগুনকে ঘিরে সৃষ্ট এই বিতর্ক শেষ ষোলোর যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়াম ম্যাচের আগেই বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
আরআর








