দেশে প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে প্রতিবছর প্রায় ২৫ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকার ফল নষ্ট হচ্ছে। এ ক্ষতি কমাতে দ্রুত বাজারজাতকরণ, আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানির ওপর সমান গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি কৃষি-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, বাজার সৃষ্টি ও নতুন বাজার অনুসন্ধানের ঘাটতি, রপ্তানি প্রণোদনা কমে যাওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, উচ্চ সুদের ঋণ এবং কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের ফল প্রক্রিয়াজাত শিল্প কঠিন সময় পার করছে। এ খাতের বিকাশে সরকার, শিল্প উদ্যোক্তা ও একাডেমিয়ার সমন্বিত উদ্যোগের পাশাপাশি ফল রপ্তানির পুরো সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে সমন্বিত গবেষণা প্রয়োজন।

শনিবার (২৭ জুন) জাগো নিউজ আয়োজিত ‘ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ: সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। ঢাকার বাড্ডায় নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন জাগো নিউজের সম্পাদক কে. এম. জিয়াউল হক।

গোলটেবিল জাগো নিউজগোলটেবিল বৈঠকের আলোচকরা

বৈঠকে বক্তব্য দেন ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের সাবেক উপাচার্য, গবেষক ও কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের পোস্ট-হারভেস্ট টেকনোলজি বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম ফেরদৌস চৌধুরী, বছরব্যাপী ফল উৎপাদন প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক ও ফল বিশেষজ্ঞ ড. মো. মেহেদী মাসুদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক (খাদ্য ও কৃষি) এনামুল হক, প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ইলিয়াছ মৃধা, হাসেম ফুডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল হাসেম, বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ইকতাদুল হক, ক্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, কাজু অ্যান্ড কফি অ্যাগ্রোর নির্বাহী পরিচালক মো. মাহাতাব আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি উদ্যোক্তা ইসমাইল খান শামীম ও নওগাঁর কৃষি উদ্যোক্তা সোহেল রানা।

আরও পড়ুন

ফল রপ্তানিতে বড় বাধা বিমান ভাড়া, প্রয়োজন অবকাঠামো উন্নয়ন

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, দেশে ফল উৎপাদন বাড়লেও মৌসুমে বিপুল পরিমাণ ফল নষ্ট হচ্ছে। এ ক্ষতি কমাতে ফল দ্রুত বাজারজাতকরণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানির ওপর সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

একই সঙ্গে কৃষি ও উদ্যানতত্ত্ব খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো ছাড়া ফল প্রক্রিয়াজাত শিল্পের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মনে করেন তিনি।

ড. জাহাঙ্গীর আলম খানড. জাহাঙ্গীর আলম খান

ড. জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, দেশে বিক্রয়োত্তর পর্যায়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ, অনেক ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ফল নষ্ট হয়। যদি প্রক্রিয়াজাত শিল্পে সরকার তুলনামূলক কম বিনিয়োগ বা ভর্তুকি দেয়, তাহলে হাজার হাজার কোটি টাকার ফল নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) পোস্ট-হারভেস্ট টেকনোলজি বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম ফেরদৌস চৌধুরী বলেন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের অভাবের কারণে দেশে ফল প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

ড. মো. গোলাম ফেরদৌস চৌধুরীড. মো. গোলাম ফেরদৌস চৌধুরী

তিনি বলেন, দেশে ফল প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সবচেয়ে বড় দুটি চ্যালেঞ্জ হলো বাজার সৃষ্টি ও বাজার অনুসন্ধান। কোন দেশে কোন পণ্যের চাহিদা রয়েছে, কী ধরনের পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব- এ নিয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা নেই। ফলে রপ্তানি কার্যক্রম এখনো ব্যক্তিগত যোগাযোগনির্ভর হয়ে আছে।

ফল বিশেষজ্ঞ ড. মেহেদী মাসুদ বলেন, ‘একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ফল নষ্ট হয়। কিন্তু বাস্তবে এ ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি। যদি প্রতি কেজি ফলের গড় মূল্য ৫০ টাকা ধরা হয় এবং প্রায় ৫০ লাখ মেট্রিক টন ফল নষ্ট হয়, তাহলে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় কমপক্ষে ২৫ হাজার কোটি টাকা। আর প্রতি কেজি ফলের গড় মূল্য ১০০ টাকা হিসেবে ধরলে এই ক্ষতি প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছায়।’

ড. মেহেদী
ড. মেহেদী মাসুদ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, দেশের ফল রপ্তানির অন্যতম বড় বাধা হচ্ছে পর্যাপ্ত কার্গো স্পেসের সংকট। মৌসুমে রপ্তানিকারকরা অতিরিক্ত ভাড়া দিতে রাজি থাকলেও প্রয়োজনীয় কার্গো স্পেস পান না। ফলে অনেক সময় আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও সময়মতো পণ্য পাঠানো সম্ভব হয় না।

মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মোহাম্মদ আরিফুর রহমান

তিনি বলেন, পিক সিজনে রপ্তানিকারকদের জন্য নির্দিষ্ট কার্গো বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক (খাদ্য ও কৃষি) এনামুল হক বলেন, বাংলাদেশের ফল প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে শুধু উৎপাদন নয়, আন্তর্জাতিক মান ও রপ্তানি গন্তব্যভিত্তিক কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে হবে।

এনামুল হকএনামুল হক

তিনি বলেন, ফল প্রক্রিয়াজাত শিল্পের জন্য ফুড সেফটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং ড্রাই ফ্রুট, আচার, চাটনি, জুসসহ বিভিন্ন পণ্যের সার্টিফিকেশন সেবা দিয়ে যাচ্ছে বিএসটিআই। এছাড়া অনলাইনভিত্তিক সেবা চালুর ফলে উদ্যোক্তাদের এখন আর সরাসরি অফিসে যেতে হয় না। ঘরে বসেই আবেদন ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। এতে সেবায় স্বচ্ছতা বেড়েছে এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতা বা 'রেড টেপ' অনেকটাই কমেছে।

আরও পড়ুন

কাঁঠালের চিপস-আচার রপ্তানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপে

অনুষ্ঠানে দেশে ফল প্রক্রিয়াজাত শিল্পের বিকাশে সরকার, শিল্প উদ্যোক্তা ও একাডেমিয়ার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছে প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ইলিয়াছ মৃধা। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা, মানসম্মত অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

ইলিয়াছ মৃধাইলিয়াছ মৃধা

ইলিয়াছ মৃধা বলেন, দেশে ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের যাত্রা ছিল নানা চ্যালেঞ্জে ভরা। প্রাণ গ্রুপ প্রথমে আনারসের ক্যান্ডি উৎপাদন শুরু করলেও দেশে স্যানিটারি ক্যান শিল্প না থাকায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। বিদেশ থেকে ক্যান আমদানি করে উৎপাদন ও রপ্তানি করতে গিয়ে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যায়।

কোল্ড স্টোরেজ সংকটের কারণে আমের পাল্প সংরক্ষণেও সমস্যা হচ্ছে জানিয়ে ইলিয়াছ মৃধা বলেন, বর্তমানে আলুর কোল্ড স্টোরেজ ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর সমাধান নয়। সে কারণে খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের জন্য বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ প্রয়োজন।

মো. আবুল হাসেমমো. আবুল হাসেম

হাসেম ফুডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল হাসেম বলেন, রপ্তানি প্রণোদনা কমে যাওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, উচ্চ সুদের ঋণ ও কাঁচামালের ব্যয় বাড়ার কারণে দেশের ফল প্রক্রিয়াজাত শিল্প কঠিন সময় পার করছে। নীতিগত সহায়তা ও প্রতিযোগিতামূলক প্রণোদনা না থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও দুর্বল হবে।

আরও পড়ুন

কাঁঠালের খোসা থেকে পরিবেশবান্ধব ‘চামড়া’, বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা

আমের জুস উৎপাদন ও রপ্তানিতে ব্যয় এত বেশি যে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আগে রপ্তানিতে ২০ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হলেও এখন তা কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে বলে জানান এ শিল্প উদ্যোক্তা।

মো. ইকতাদুল হক

বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ইকতাদুল হক বলেন, দেশের অ্যাগ্রো প্রসেসিং খাতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও কোল্ড স্টোরেজের অভাব, ব্যাংকঋণ পেতে জটিলতা, আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিতের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং বহু সংস্থার নিয়ন্ত্রক জটিলতায় এ খাত কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোতে পারছে না।

এসব বাধা দূর করে ‘সিঙ্গেল ডোর সার্ভিস’ চালু এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে বলে জানান তিনি।

এস এম নাজের হোসাইন এস এম নাজের হোসাইন

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস চেয়ারম্যান এস এম নাজের হোসাইন বলেন, দেশে মানসম্মত ফল ও খাদ্যপণ্য উৎপাদিত হলেও যথাযথ প্রচারের অভাব, ভোক্তা সচেতনতার ঘাটতি এবং কৃষক-বিজ্ঞানীদের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে দেশীয় পণ্যের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং ফল প্রক্রিয়াজাত শিল্পের বিকাশে সরকার, বিজ্ঞানী, কৃষক ও ভোক্তাদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে বলে জানান তিনি।

মো. মাহাতাব আলীমো. মাহাতাব আলী

কাজু অ্যান্ড কফি অ্যাগ্রোর নির্বাহী পরিচালক মো. মাহাতাব আলী বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে কাজু ফলে রয়েছে নানা ধরনের পুষ্টিগুণ। আধুনিক ইউএইচটি প্রযুক্তির মাধ্যমে টেট্রাপ্যাকে সংরক্ষণ করলে কোনো ধরনের প্রিজারভেটিভস বা অতিরিক্ত চিনি ছাড়াই শতভাগ প্রাকৃতিক জুস বাজারজাত করা সম্ভব।

আরও পড়ুন

ফল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ সারিতে, প্রক্রিয়াজাতকরণে নেই গতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি উদ্যোক্তা ইসমাইল খান শামীম বলেন, দেশে উন্নতমানের এক কেজি ড্রাই ম্যাঙ্গো উৎপাদনে ১০ থেকে ১২ কেজি আম প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে থাইল্যান্ডের অনেক পণ্য তুলনামূলক কম খরচে উৎপাদিত হয়। এছাড়া চোরাই পথে বা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আসা বিদেশি পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে দেশীয় উদ্যোক্তারা বড় ধরনের অসুবিধায় পড়ছেন।

ইসমাইল খান শামীম

থাইল্যান্ডের মতো শক্তিশালী বাজার গড়ে তুলতে হলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতকে সম্পৃক্ত করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

নওগাঁর কৃষি উদ্যোক্তা সোহেল রানা বলেন, সংরক্ষণাগার, আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তি, উন্নত প্যাকেজিং ও সহজ সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা না থাকায় দেশের বিপুল পরিমাণ আম নষ্ট হচ্ছে। এসব সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে দেশীয় উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক বাজারে আমভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত পণ্যের বড় অংশীদার হতে পারবেন।

আন্তর্জাতিক বাজারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আলিবাবা ও অ্যামাজনের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে ভারত ও ফিলিপাইনের আমসত্ত্ব, ম্যাঙ্গো বার, আমের গুঁড়া ও অন্য প্রক্রিয়াজাত পণ্য বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশেও মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।

জাগো নিউজ আয়োজিত ‘ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ: সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনায় উঠেছে এ খাতের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়। সে সব নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ হবে ২৯ জুন, সোমবার।

ইএইচটি/এএসএ