দেশের প্রয়াত গুণী অভিনেতা খলিল উল্যাহ খান। তার জন্ম হয়েছিল ১৯৩৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। মারা যান ২০১৪ সালের ৭ ডিসেম্বর। আগামী ৭ ডিসেম্বর তার মুত্যুর এক যুগ পূর্ণ হবে। বাবার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তাকে নিয়ে বিশেষ কিছু কাজের কথা জানিয়েছেন অভিনেতার ছেলে মূসা খান। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে এখন অনেক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান হয়। এসব অনুষ্ঠানের নামে বেশ বাণিজ্যও হয়ে থাকে। অবশ্যই আমি তাদের সাধুবাদ জানাই যারা সত্যিকার অর্থেই গুণী শিল্পীদের সম্মাননা প্রদান করেন। আমার প্রবল ইচ্ছা আমার বাবাকে নিয়ে একটি সম্মাননা পদক চালু করার। এটা এই বাংলার সিনেমাপ্রেমী দর্শক অনায়াসে স্বীকার করবেন যে, বাংলাদেশের একজন শক্তিমান, গুণী অভিনেতা ছিলেন আমার বাবা। তিনি মারা গেছেন আজ প্রায় এক যুগ। এরইমধ্যে সিনেমার মানুষজনই বাবাকে ভুলে গেছেন। আমরা চাই সিনেমায় আমার বাবার যে অবদান তা যেন এই দেশ, দেশের মানুষ মনে রাখেন। বাবাকে মনে রাখার জন্যই আমার ভাবনা আব্বাকে নিয়ে একটি সম্মাননা পদক চালু করার। এরইমধ্যে আমি বেশকিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। এ ক্ষেত্রে আমাকে শতভাগ সহযোগিতা করছেন এবং ভবিষ্যতেও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীন। আপাতত এ পদকের নাম রেখেছি খলিল উল্যাহ খান সম্মাননা। সিনেমা অঙ্গনের শিল্পীদের এ সম্মাননায় ভূষিত করা হবে। ইচ্ছা আছে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি আব্বার জন্মদিনে আব্বার নামে পদক চালু করার।’ ২০১২ সালে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা লাভ করেন। জীবদ্দশায় অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করেছেন এ অভিনেতা।