স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট কিংবা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের সঙ্গে আসা ইউএসবি কেবল ব্যবহার শেষে অনেকের বাড়িতেই অপ্রয়োজনীয়ভাবে জমে থাকে। বিশেষ করে ইউএসবি-সি প্রযুক্তির প্রসারের কারণে পুরোনো ইউএসবি-এ, মাইক্রো ইউএসবি বা মিনি ইউএসবি কেবলের ব্যবহার কমে গেছে। তবে এসব কেবল সাধারণ আবর্জনার সঙ্গে ফেলে দেওয়া পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরোনো ইউএসবি কেবল ডাস্টবিনে ফেলার পরিবর্তে পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং) করা উচিত। কারণ কেবলের ভেতরে থাকা তামা, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাস্টিক ও রাবারের মতো উপাদান পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে নতুন পণ্য তৈরিতে ব্যবহার করা যায়। এতে নতুন কাঁচামাল উত্তোলনের প্রয়োজন কমে এবং পরিবেশ দূষণও হ্রাস পায়।
আরও পড়ুন
স্পটিফাইতে নতুন ফিচার, প্রিয় গানে স্মৃতিময় নোট লিখে রাখতে পারবেন
এছাড়া নষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত কেবল ল্যান্ডফিলে জমা হলে বা পুড়িয়ে ফেললে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ পরিবেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই কেবলের আবরণ ছিঁড়ে গেলে, তার বেরিয়ে এলে বা ব্যবহারের সময় অতিরিক্ত গরম হলে সেটি ব্যবহার না করে নিরাপদভাবে পুনর্ব্যবহারের জন্য পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
তবে সব পুরোনো কেবল ফেলে দেওয়ারও প্রয়োজন নেই। এখনো সচল থাকা ইউএসবি-এ, মাইক্রো ইউএসবি বা মিনি ইউএসবি কেবল পুরোনো ক্যামেরা, ট্যাবলেট, পাওয়ার ব্যাংক বা অন্যান্য ডিভাইসের জন্য কাজে লাগতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েকটি সংরক্ষণ করে বাকিগুলো পুনর্ব্যবহার করা যেতে পারে।
যেসব কেবল ভালো অবস্থায় রয়েছে, সেগুলো বিক্রি, দান বা অন্য কারো ব্যবহারের জন্য দেওয়াও একটি ভালো উদ্যোগ হতে পারে। এতে ইলেকট্রনিক বর্জ্য কমার পাশাপাশি একই পণ্যের পুনর্ব্যবহারও নিশ্চিত হয়।
আরও পড়ুন
স্ক্রিন ব্যবহার বাড়ছে শিশুদের, দেখা দিচ্ছে ‘ভার্চুয়াল অটিজম’
প্রযুক্তিবিদদের পরামর্শ, বাড়িতে অপ্রয়োজনীয় কেবল জমিয়ে না রেখে প্রয়োজনীয় কয়েকটি আলাদা করে গুছিয়ে রাখুন। বাকি কেবলগুলো অনুমোদিত ই-বর্জ্য সংগ্রহ কেন্দ্র বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানে জমা দিন। এতে যেমন পরিবেশ সুরক্ষিত থাকবে, তেমনি মূল্যবান ধাতুও পুনরায় উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
সূত্র: এনগ্যাজেট
শাহজালাল/কেএসকে






