রাষ্ট্রপতির পদকে বিএনপি কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে নয়, বরং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে দেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সন্ধ্যায় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা এটিকে (রাষ্ট্রপতি পদ) একটি প্রতিষ্ঠান হিসাবে দেখি। আমরা দেখেছি তিনি যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তিনি আমাদের সরকারকে সহযোগিতা করেছেন।’ জুলাই অভ্যুত্থানের আগে সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তিনি যেহেতু স্বৈরাচারী সরকারের আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তাই সেই সময়কার কিছু সমালোচনা ছিল। তবে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আগে ৫ থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত তিনি যে ভূমিকা পালন করেছেন, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সংকটের সময়ে রাষ্ট্রকে সাংবিধানিক পথে রাখার ক্ষেত্রে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রশংসার দাবিদার।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটাও সত্য যে, অন্তর্র্বর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্রপতিকে যথাযথভাবে ও মর্যাদার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হয়নি।’
রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিকভাবে পদত্যাগের অধিকার রয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যগত কারণে বা অন্য যে কোনো কারণে পদত্যাগ করতে পারেন। সেই সুযোগ রয়েছে। তিনি পদত্যাগ করেছেন এবং সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এখন তা গেজেট আকারে প্রকাশ হবে। এরপর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে হবে। এ সময় বিধি ও সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।’
সবকিছুই বিধি অনুযায়ী হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’








