দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ফের সাড়ে ৩২ বিলিয়ন (১০০ কোটিতে এক বিলিয়ন) ডলারে উঠেছে। একই সঙ্গে গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বৈদেশিক ঋণের অর্থ ছাড়, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি ও আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকায় রিজার্ভ বাড়ছে। এদিকে আন্তঃব্যাংকে হঠাৎ করেই ডলারের দাম বেড়েছে ১০ পয়সা। সোমবার প্রতি ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় উঠেছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দুই দরই ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা ছিল। আগের দিন রোববার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দাম ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই আন্তঃব্যাংকে ডলারের দাম ২১১ টাকা ৭৫ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। ডলারের বিপরীতে টাকাকে প্রতিযোগী করতেই সোমবার এর দাম ১০ পয়সা বেড়েছে। এছাড়া জুনের শেষে ব্যাংকগুলোতে ডলারের চাহিদাও বেড়েছে। বিশেষ বৈদেশিক দায় শোধ করতে হচ্ছে।

এদিকে উন্নয়ন সহযোগীরা বাংলাদেশের অনুকূলে ঋণের অর্থ ছাড় করায় এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার কারণে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বেড়েছে। পাশাপাশি বৈদেশিক ঋণ শোধ ও আমদানি ব্যয় সহনীয় মাত্রায় থাকার কারণে বৈদেশিক খরচ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যে কারণে দেশের রিজার্ভ বাড়ছে। গত সোমবার দিনের শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। একই সময়ে নিট রিজার্ভ বেড়ে ৩২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে উঠেছে।