নিজের কোনো জমি-জমা নেই হিরণের। মা, ছোট ভাই, বোন, সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে সরকারি গুচ্ছগ্রামে বসবাস। ঋণের টাকায় একটি অটোরিকশা কিনে তা দিয়ে কোনোরকমে চলছিল সংসার। কিন্তু সেই সুযোগটুকুও আর রইল না হিরণের। তার আয়ের একমাত্র অবলম্বন অটোরিকশাটি চুরি হয়ে গেছে।
শনিবার (২৭ জুন) সকালে অটোরিকশাটি চুরে হয়ে যায়। এরপর থেকে ভেঙে পড়েছেন ৯ সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম এই ব্যক্তি।
হিরণ ভোলার দৌলতখান উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী হিরণ জানান, তিনি ঋণ নিয়ে অটোরিকশাটি কিনেছিলেন। প্রায় দুই মাস আগে আবারও ঋণ নিয়ে অটোরিকশা মেরামতের কাজ করেন। এতে খরচ হয় এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা। প্রতিদিন অটোরিকশা চালিয়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধ ও সংসার মোটামুটি চলছিল। এটি চুরি হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন।
হিরণের ভাষ্যমতে, প্রতিদিনের মত শনিবারও তিনি বাড়ি থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হন। সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে যাত্রী নিয়ে যান। পরে দৌলতখান থেকে যাত্রী নিয়ে ভোলা শহরের বাংলাস্কুল মোড়ে আসেন তিনি। যাত্রী নামিয়ে সকাল ১০টার দিকে অটোরিকশাটি ডায়াবেটিস হাসপাতাল রোডের ইসলামী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশে রেখে চা পান করতে যান। পাঁচ মিনিট পর এসে দেখেন তার অটোরিকশাটি আগের জায়গায় নেই। পরে অনেক খুঁজেও পাননি।
এ বিষয়ে ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। আমরা তার অটোরিকশাটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছি।
জুয়েল সাহা বিকাশ/এসআর







