কয়েক দিন আগে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। এতে সভাপতি শিবা সানু ও সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী জয়লাভ করেছেন। এই নির্বাচনে তাদের প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন নায়িকা রোজিনা ও পলি।
হেরে যাওয়ার পর একাধিক অভিযোগ তুলেছেন রোজিনা ও পলি। নায়িকা রোজিনা অভিযোগ করেছেন, তাকে ইমোশনাল করে, অনুরোধ করে জয় চৌধুরী তার প্যানেলে রেখেছেন। কিন্তু ষড়যন্ত্র করে তাকে পরাজিত করা হয়েছে। পরাজিত হওয়ায় অসম্মানিত বোধ করছেন তিনি।
রোজিনা এ-ও জানান, মৃত্যুর পর তার মরদেহ যেন এফডিসিতে নেওয়া না হয়। তবে সরকারি কোনো আমন্ত্রণ পেলে এফডিসিতে যাবেন বলেও জানান এই অভিনেত্রী।
অন্যদিকে, পলি চাঁদাবাজী, অর্থ লেনদেন ও কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ এনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চেয়েছেন, তদন্তের জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নব-নির্বাচিত সভাপতি শিবা সানু বলেন, “পরাজিত প্রার্থীর মন স্বাভাবিকভাবে খারাপ হয়। হারলে মনে আঘাত লাগে। তখন চারপাশ থেকে অনেকে তাদের কানে অনেক কথা শোনায়। আমি শিল্পী সমিতির কমিটিকে সাজিয়ে কাজ করতে চাই। যারা পরাজিত হয়েছেন তাদের কাজের সুযোগ থাকবে। এখানে উপকমিটি থাকবে। সেই কমিটিতে তাদের থেকে শিল্পীদের পাশে থাকার সুযোগ পাবে।”
অভিযোগকারীদের ভুল ভেঙে যাবে বলে আশ্বস্ত করেছেন শিবা সানু। তিনি বলেন, “হেরে গিয়ে মনে কষ্টে পেয়ে সন্দেহের কারণে তারা এগুলো বলতে পারেন। আমি মনে করি, অচিরেই এসব ভুল ভেঙে যাবে। আমি সবার সাথে কথা বলব। দেখি তারা কী বলতে চাইছেন। টাকা-পয়সা ছড়ানোর ব্যাপারে আমি একেবারে অবগত নই।”
নির্বাচন ঘিরে কিছু ইউটিউবার বাজে ক্যাপশন দিয়ে ভুলভাবে বিভিন্ন ভিডিও উপস্থাপন করেছে। এ তথ্য উল্লেখ করে শিবা সানু বলেন, “মেইনস্ট্রিম সংবাদমাধ্যম সঠিক খবর প্রকাশ করে। কিন্তু কিছু ইউটিউবার ভালো জিনিসকেও ভিউয়ের জন্য নেগেটিভ ও ভুল ক্যাপশন দিয়ে প্রেজেন্ট করে। এগুলোর কারণে বিভ্রান্তি ছড়ায়। আমি চেষ্টা করব, এগুলোকে দূরে রেখে সমিতির কার্যক্রম পরিচালনা করতে।”








